২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
“একটি ডিম উৎপাদনে খরচ হয় নয় টাকারও বেশি, অথচ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭ টাকা ৮০ পয়সায়।”
কাজুবাদামের উৎপাদন বাড়াতে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিদ্যুতের ঘাটতি সামাল দিতে গিয়ে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে মফস্বল আর গ্রামীণ জনপদ। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কোথাও কোথাও চাহিদার তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহের চিত্রও পাওয়া যাচ্ছে।
গালফ নিউজ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
“কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর ফিড ও মুরগির বাচ্চার সিন্ডিকেটের কারণে ডিম এবং মুরগির বাজারে মাঝে মাঝে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়,” বলেন বিপিএ সভাপতি।
এ শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাণিসম্পদ খাতের খামারে সিমেন্ট শিট ব্যবহার করলে দেশে বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
সহনীয় করে আনতে হবে আগ্রাসী হয়ে ওঠা গ্রীষ্মের প্রভাব। প্রয়োজনমতো বৃষ্টি না হলে জমিতে সেচ সুনিশ্চিত করতে এগিয়ে আসতে হবে সরকারকেই। আর তাপপ্রবাহে গ্রাম কেন ব্যতিক্রমহীনভাবে লোডশেডিংয়ের শিকার– জরুরি এ প্রশ্নও তুলতে হবে।