Published : 29 Jun 2026, 09:03 PM
গৃহকর বাবদ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (সিসিসি) ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকার পরিশোধ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এক অর্থবছরে এটিই সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার বিকালে টাইগার পাসে অস্থায়ী নগর ভবনে এ সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে মেয়র শাহাদাত হোসেন এ বিষয়ে জানান।
তিনি বলেন, “চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুরোধে উভয় প্রতিষ্ঠানের তিনজন করে ছয়জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সমন্বয়ে যৌথ মূল্যায়ন (জয়েন্ট অ্যাসেসমেন্ট) পরিচালিত হয়। এতে প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ বর্গফুট স্থাপনার মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়। যৌথ মূল্যায়নে উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা স্বাক্ষর করায় এটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
“গৃহকর বিষয়ে বন্দরের পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করা হলেও সিটি করপোরেশন আইনের বিধান অনুযায়ী আপিল গ্রহণের পূর্বশর্ত হিসেবে নির্ধারিত করের ৭৫ শতাংশ জমা দিতে হয়।”
তিনি বলেন, “সেই বিধান অনুসারেই আজ ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ টাকার চেক সিটি করপোরেশনকে দেওয়া হয়েছে। আশা করি, বাকি ২৫ শতাংশ অর্থও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সিটি করপোরেশন পাবে।”
গত ৩ মে সরকারি এই দুই সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গৃহকর সংক্রান্ত এক আপিল শুনানিতে বন্দরের বার্ষিক ২৬৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা গৃহকর নির্ধারণ করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি)।
চট্টগ্রাম বন্দরের ১ কোটি ৭৩ লাখ বর্গফুট স্থাপনার বিপরীতে এই পরিমাণ পৌরকর নির্ধারণ করে সিটি করপোরেশন। স্থাপনার আয়তন নিয়ে দ্বিমত না থাকলে করের হার এবং কোন অর্থবছর থেকে নতুন গৃহকর ধার্য হবে, তা নিয়ে ভিন্নমত আছে বন্দরের।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সাব্বির রাহমান সানি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বকেয়া কর হিসেবে এই অর্থ বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করেছে। বিভাগীয় কমিশনারের কাছে তারা আপিল করেছে। আপিলের শর্ত অনুসারে ৭৫ শতাংশ টাকা পরিশোধ করেছে।”