Published : 29 Jul 2025, 09:55 PM
চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা জলাবদ্ধতার শিকার হওয়ার পরের দিন বরাবরের মতো সভা করে সমন্বয়ের তাগাদা দিয়েছে সিটি করপোরেশন।
মঙ্গলবার বিকালে নগরীর টাইগার পাসে অস্থায়ী নগর ভবনে সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে এই সভা হয়। এর আগে গত ৮ বছরে ৩৪ বার সমন্বয় সভা হয়েছে।
সভায় সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সবগুলো সেবা সংস্থার সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। আমি সব সেবা সংস্থাকে নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।
“তবে এই তিন মাসে যদি আমরা রেজাল্ট পেতে চাই, জনগণকে যদি আপনারা স্বস্তিকর অবস্থায় রাখতে চান, তাহলে এই তিন মাস টানা কাজগুলো করতে হবে।”
সোমবার সকালে তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতে নগরীর কাপাসগোলা, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, পাঁচলাইশ, প্রবর্তক মোড়, জিইসি, মুরাদপুর, একে খান গেইট, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, তিন পোলের মাথা, রিয়াজুদ্দিন বাজার, হেমসেন লেন, জুবিলী রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
মঙ্গলবারের সভায় এলাকাভিত্তিক জলাবদ্ধতার কারণ তুলে ধরে সেগুলো সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান মেয়র।
সভায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, বন্দরের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মো. ওবায়দুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ, চট্টগ্রামের প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন মজুমদার ও মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ বক্তব্য রাখেন।
এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক শওকত ইবনে সাহীদ।