Published : 28 Jun 2026, 02:43 PM
এই বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি মাঠে নামা মানেই গোল পাওয়া। আর্জেন্টিনার জয়ের গল্প লেখা। রেকর্ডের আরেকটি পাতায় তার নাম ওঠা। প্রতিটি ম্যাচের পর, মহাতারকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে হয় লিওনেল স্কালোনিকেও। এর আগেও আর্জেন্টিনা কোচ বলেছেন, কথা ফুরিয়ে আসছে তার। এবার বললেন, ফুরিয়ে গেছে উপমা।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে জর্ডানের বিপক্ষে শনিবার নিজেদের শেষ ম্যাচে শুরুতে মেসি ছিলেন বেঞ্চে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামেন। দারুণ ফ্রি কিকে লক্ষ্যভেদ করেন। তাতে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা সাত ম্যাচে গোলের রেকর্ডও গড়েন এই জাদুকর।
বিশ্বকাপে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচে গোলের রেকর্ড এতদিন ছিল জুস্ত ফঁতেন ও জাইরজিনিয়োর। ১৯৫৮ আসরে টানা ছয় ম্যাচে গোল করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড ফঁতেন। আর ১৯৭০ আসরে তাকে স্পর্শ করেন ব্রাজিলের জাইরজিনিয়ো।
কাতার বিশ্বকাপে পোল্যান্ডের বিপক্ষে গোল পাননি মেসি। সেবার শেষ ষোলোয় অস্ট্রেলিয়া, কোয়ার্টার-ফাইনালে নেদারল্যান্ডস, সেমি-ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া ও ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে জালের দেখা পেয়েছিলেন।
এবার আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে ফঁতেন ও জাইরজিনিয়োকে স্পর্শ করেন মেসি। জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে রেকর্ডটি নিজের করে নিলেন তিনি। ম্যাচটিও আর্জেন্টিনা ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে, টানা তিন জয়ের সুবাস মেখে উঠেছে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে।
গ্রুপ পর্ব শেষে, ৬ গোল নিয়ে এবারের আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষেও আছেন মেসি। একের পর এক কীর্তি গড়ে যাওয়া ৩৯ বছর বয়সী এই তারকাকে নিয়ে কিছু বলতে স্কালোনিকে উপমা খুঁজে ফিরতে হলো।
“যখন মানুষ মেসিকে নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করে, তখন আমি একটু অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে যাই। আমি জানি না, তাকে নিয়ে কী বলতে হবে।”
“এই সংখ্যা, রেকর্ড, যেগুলো নিয়ে মানুষ কথা বলে, মেসি এগুলো নিয়ে খুব একটা ভাবে না। তাকে নিয়ে কেবল যে কথাটি আমরা মাথায় আসছে, আমি বিস্মিত।”