Published : 08 Mar 2026, 04:00 PM
চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চলমান প্রকল্পের অধীনে ১৭টি স্লুইস গেইট নির্মাণ শেষ হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (সিসিসি) ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক জরুরি সভায় রোববার দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়।
সেখানে সভাপতির বক্তব্যে মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন, সিডিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে যে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে উঠেছে, তার সুফল নগরবাসী অচিরেই পাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে নির্মাণাধীন ২১টি স্লুইস গেটের মধ্যে ১৭টি প্রস্তুত হওয়া আমাদের জন্য একটি বড় মাইলফলক।
“অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নগরবাসীর সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। ড্রেন ও খালে পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য ফেললে জলাবদ্ধতা দূর করা কঠিন হয়ে পড়বে।”
শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে চলমান ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলমগ্নতা/জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ নামের চলমান প্রকল্পটিতে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা।
সভায় জানানো হয়, এই প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন খালের সাথে যুক্ত ২১টি স্লুইট গেইট নির্মাণ করা হবে। বাকি চারটি গেটের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এসব স্লুইস গেইট বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খালের পলি অপসারণ, খনন এবং রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ কাজ প্রায় ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
সিডিএ’র প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের তদারকিতে খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর অগ্রগতি সভায় তুলে ধরা হয়।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম। এছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।