Published : 10 Nov 2025, 12:16 PM
চট্টগ্রামের মদুনাঘাট ব্রিজের কাছে ব্যবসায়ী আবদুল হাকিমকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরও দু্ইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া চৌধুরীহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোববার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল জানিয়েছেন।
সোমবার তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, রাতে নোয়াপাড়া চৌধুরীহাট আইয়ুব আলী সওদাগর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, রিভলবার, গুলি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দু্ইজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আরও আসামি গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে। জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বিকালে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।
গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যার কিছু আগে হাটহাজারী উপজেলার মদুনাঘাট ব্রিজের কাছে একদল লোক প্রাইভেট কার আটকে রাউজানের ব্যবসায়ী আবদুল হাকিমকে গুলি করে হত্যা করে। হাকিম রাউজানের হামিম অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক এবং স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

এ ঘটনায় এর আগে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জবানবন্দির বরাত দিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গত ৬ নভেম্বর বলা হয়েছিল, রাউজানে বালুমহালের নিয়ন্ত্রণ এবং স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ‘ভাড়াটে খুনি’ দিয়ে ব্যবসায়ী ও বিএনপিকর্মী আবদুল হাকিমকে হত্যা করা হয়েছে।
আবদুল হাকিম হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গেল ৩১ অক্টোবর রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের গরীব উল্লাহ পাড়া থেকে আব্দুল্লাহ খোকন ওরফে ল্যাংড়া খোকনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ব্যবসায়ী হাকিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন।
তার দেওয়া তথ্যে ২ নভেম্বর রাউজানের নোয়াপাড়া থেকে হত্যাকাণ্ডের জড়িত অভিযোগে মারুফ নামে অপর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মারুফ জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রের বিষয়ে তথ্য দেয় এবং সেটি সাকলায়েন নামে একজনের কাছে আছে বলে জানান।
এছাড়া ৪ নভেম্বর হাটহাজারী থানা পুলিশ উপজেলার নোয়াপাড়া থেকে সাকলায়েন হোসেনকে গ্রেপ্তার এবং তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি একনলা বন্দুক, একটি এলজি ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।