Published : 21 Jun 2026, 07:11 PM
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে গুলি করে হত্যার পেছনের কারণ হল চেয়ারম্যান পদে তার ‘প্রার্থিতা আটকে দেওয়া’; এই তথ্য দিয়ে র্যাব বলছে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার মো. আইয়ুব আলী (৪৫), হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হওয়া মামলার ৯ নম্বর আসামি। তার বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতিসহ পাঁচটি মামলা আছে বলে র্যাবের ভাষ্য।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, রোববার রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুপছড়ি এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “যুবদল নেতা মাসুদুল হক রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মধ্য বেতাগী এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তিন যাতে নির্বাচন করতে না পারে সেজন্য হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।”
গত ১৩ জুন দুপুরে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫) গুলি হত্যা করা হয়। তিনি পাশের উপজেলা রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা। ওষুধ কিনতে তিনি চৌমুহনী বাজারে যান বলে পুলিশ জানিয়েছিল।
হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে, তাতে দেখা যায়, অস্ত্রধারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ঘটনাস্থল চৌমুহনী বাজারে আসে। সে সময় অস্ত্রধারীরা যুবদলের এই নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তিনি মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরেও অস্ত্রধারীদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি তাকে গুলি করে।
এরপর অস্ত্রধারীরা ফাঁকা গুলি করতে করতে আবার অটোরিকশায় উঠে চলে যায়। এসময় তিনজনের হাতে পিস্তল এবং দুইজনের হাতে লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে।
এ ঘটনায নিহতের বড় ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান পিয়ারুল হক চৌধুরী বীদি হয়ে ১৬ জুন রাঙ্গুনিয়া থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও সাত থেকে আট জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয় চট্টগ্রামের জোড়াখুনসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রায়হানকে। যিনি বড় সাজ্জাদের অনুসারী বলে পরিচিত।
পুরানো খবর:
রাউজানে দিনে দুপুরে বাজারে গুলি করে একজনকে হত্যা
রাউজানে যুবদল নেতা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৫ জন শনাক্ত