Published : 28 May 2026, 11:22 PM
চট্টগ্রাম নগরী থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ শেষ হয়েছে বলে দাবি করেছেন সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরীর দামপাড়ায় স্থাপিত সিটি করপোরেশনের কন্ট্রোল রুমে এসে মেয়র বলেন, “নগরীর কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে ছয় ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়েছে। আমি সকাল ৯টা থেকে কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তদারকি করেছি।
“সিটি করপোরেশনের ডাম্প ট্রাক, কম্পেক্টর, পে-লোডারসহ ৩৭৯টি গাড়ি নিয়ে ৩২০০ শ্রমিক পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে বর্জ্য সংগ্রহ করছেন। সঙ্গে পানি ও ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে কোরবানির স্থান পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।”
নগরীর কোথাও এখনো বর্জ্য পড়ে থাকলে দামপাড়ায় কন্ট্রোল রুমে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তথ্য দেন মেয়র। তিনি বলেন, “চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিকালে কোরবানি দেওয়ার সংস্কৃতি থাকায় সেসব বর্জ্য অপসারণেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অনেকে ঈদের পরদিন কোরবানি দেন, সে বর্জ্যও আমরা অপসারণ করব।”

মেয়র সিটি করপোরেশন এলাকার কোথাও কোরবানির জবাইকৃত পশুর বর্জ্য রাত ৮টার পরে পড়ে থাকতে দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সুপারভাইজারদের জানানোর অনুরোধ করেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান।
প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সন্ধ্যা পর্যন্ত আনুমানিক ৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। মোট কত বর্জ্য অপসারণ হয়েছে তার তথ্য পরে জানা যাবে।
এদিকে রাতে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়, জামালখান, কাজীর দেউড়ি, আসকার দিঘীর পাড়, ওয়াসার মোড়, লালখান বাজার এলাকা ঘুরে কোথাও কোরবানির পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা যায়নি। মূল সড়কের পাশাপাশি অলি-গলিও পরিষ্কার দেখা গেছে।