Published : 30 Oct 2025, 10:08 PM
চট্টগ্রামে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে যুবক নিহতের ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
এ নিয়ে এই হত্যা মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ও নগরীর চান্দগাঁও এলাকা থেকে বুধবার গভীর রাতে তাদের গ্রেপ্তার এবং একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা পিস্তলটি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।
গ্রেপ্তার দুই জন হলেন- রিয়াজ করিম (৩০) ও মো. ইউসুফ ওরফে হিরণ (২৫)। তারা দুজনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বৃহস্পতিবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য দিয়েছেন নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) আলমগীর হোসেন।
তিনি বলেন, বাকলিয়া থানা পুলিশের একটি দল বুধবার রাতে পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিয়াজ করিমকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যে নগরীর চান্দগাঁও মীর বাড়ি এলাকা থেকে হিরণকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা আলমগীর বলেন, হিরণের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাকলিয়া সুরভী আবাসিক এলাকার খাল পাড় সংলগ্ন এসএনবি এন্টারপ্রাইজ নামের নির্মাণসামগ্রী বিক্রির একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় পুলিশ।
“সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল গুলিসহ একটি ম্যাগাজিন ও গুলির খোসা জব্দ করা হয়।”
সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া এলাকায় ব্যানার নামানোকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে সাজ্জাদ নামে এক যুবক খুন হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে সাজ্জাদের বাবা মো. আলম ১৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন, সেখানে আলম তার ছেলেকে ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী দাবি করেন।
এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বোরহান নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি বাকলিয়া এলাকায় নিজেকে যুবদলের নেতা দাবি করেন। তবে তার বিরোধীদের ভাষ্য বোরহান তাদের দলে ‘অনুপ্রবেশকারী’।
হত্যাকাণ্ডের পর মঙ্গলবার রাতে বাকলিয়া থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় পাঁচজনসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করে।
আগের খবর: