Published : 07 Mar 2026, 08:01 AM
বিশ্বকাপ জয়ের অভিযানে ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন জাসপ্রিত বুমরাহ। রান উৎসবের সেমি-ফাইনালে রান আটকে রেখে স্তুতির জোয়ারে ভাসছেন ভারতীয় পেসার। তার সামর্থ্য খুব ভালো করেই জানেন গ্লেন ফিলিপস। তবে নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান মনে করিয়ে দিলেন, সেরা বোলারদেরও একটি বাজে দিন আসতে পারে এবং সেটির আশাই করছেন তিনি।
ভারতের পেস বোলিংয়ের পতাকা বেশ কয়েক বছর ধরেই বয়ে চলেছেন বুমরাহ। বিশ্ব ক্রিকেটে সময়ের সেরা বোলারদের একজন তিনি। সেটির প্রমাণ তিনি আরেকবার দেন বৃহস্পতিবার সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।
ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং স্বর্গে ৪৯৯ রান আর ৩৪ ছক্কার ম্যাচে চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন বুমরাহ। ম্যাচে সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলার ছিলেন তিনিই। ইংল্যান্ডের রান তাড়ায় অষ্টাদশ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেন ৩২ বছর বয়সী পেসার।
৪২ বলে ৮৯ রান করে ম্যাচ-সেরা হওয়া সাঞ্জু স্যামসন পুরস্কার বিতরণী আয়োজনে অকপটেই বলে দেন, “সব কৃতিত্ব জাসপ্রিত বুমরাহর, এই পুরস্কার তার প্রাপ্য।”
বিশ্বকাপের আগে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বুমরাহর বিপক্ষে তুলনামূলক ভালো করেছিলেন নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। ফিলিপস শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন, সেরা বোলারদেরও এমন একটি দিন আসতে পারে যখন সবকিছু ঠিকঠাক হয় না।
“অবশ্যই বুমরাহ অসাধারণ বোলার। তার বোলিংয়ে অনেক বৈচিত্র্য আছে। ডেথ ওভারে অবিশ্বাস্যরকম ভালোভাবে ব্লক-হোলে বল করে সে।”
“তবে সেও মানুষ। আমাদের বাকিদের মতো তারও বাজে দিন যেতে পারে। তাই আশা করি, তার বিপক্ষে আমাদের একটা ভালো দিন কাটবে।”
গত জানুয়ারিতে ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে চার ম্যাচ খেলে একটিতে চার ওভারে ৫৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন বুমরাহ। ২০ ওভারের ক্রিকেটে কোনো ম্যাচে তার সবচেয়ে খরচে বোলিং সেটি। সেদিন এক ওভারে বুমরাহ দিয়েছিলেন ২২ রান, যেটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার সবচেয়ে খরুচে ওভার।
তবে বিশ্বকাপ জুড়ে ভালো বোলিং করছেন বুমরাহ। তার বিপক্ষে সতর্ক থাকার কথাই বললেন ফিলিপস।
“যেমনটা বললাম, একজন বোলারের বাজে দিন আসতে পারে। তার ক্ষেত্রে যদি তাই হয়, তাহলে আমাদের এর সুযোগ নিতে হবে। আর যদি সে ভালো বোলিং করে, তাহলে অবশ্যই অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে আমাদের।”
আগামী রোববার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে হবে ফাইনাল। যেখানে প্রায় এক লাখ ভারতীয় দর্শক থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টানা দ্বিতীয় শিরোপার লক্ষ্যে নামবে ভারত। নিউ জিল্যান্ড খেলবে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের আশায়।