Published : 08 Feb 2026, 03:56 PM
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের এবং এই সংস্করণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য তাড়া করে জয়ে বড় ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি পেলেন টিম সাইফার্ট। জিতলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
চেন্নাইয়ে রোববার ৫ উইকেটে জিতেছে নিউ জিল্যান্ড। ১৮৪ রানের লক্ষ্য তাড়া ছুঁয়েছে ১৩ বল বাকি থাকতে।
৪২ বলে তিন ছক্কা ও সাতটি চারে ৬৫ বলের ঝড়ো ইনিংসে টি-টোয়েন্টিতে ষষ্ঠবার ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতলেন সাইফার্ট, বিশ্বকাপে প্রথমবার। বিশ্ব মঞ্চে এটি তার কেবল তৃতীয় ম্যাচ, এর আগে ২০২১ আসরে দুই ম্যাচেই আউট হন তিনি ৮ রানে।
গত আসরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৮৪ রানে হেরেছিল নিউ জিল্যান্ড। ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় অলআউট হয়েছিল ৭৫ রানে।
এবার মুজিব উর রহমানের করা দ্বিতীয় ওভারে পরপর দুই বলে ফিন অ্যালেন ও রাচিন রাভিন্দ্রা আউট হলে তেমন কিছুর পুনরাবৃত্তির শঙ্কা হয়তো মনে উঁকি দেয়।
তবে তৃতীয় উইকেটে গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে ৭৪ ও পঞ্চম উইকেটে মার্ক চ্যাপম্যানের সঙ্গে ৩৬ রানের জুটিতে সেই শঙ্কা কাটিয়ে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন সাইফার্ট।
৩৯ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়ে আউট হন ৪২ বলে ৬৫ রান করে!
গতবার ৪ উইকেট নিয়ে আফগানদের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা দেওয়া ফাজালহাক ফারুকির প্রথম বলে তিন চারে ১২ রান নিয়ে শুরুটা দারুণ করেন সাইফার্ট। বাঁহাতি পেসার পঞ্চম ওভারে ফিরলে চার ও ছক্কায় তিনি নেন ১৩ রান। এদিন আর বোলিং পাননি ফারুকি।
নিয়মিত বাউন্ডারি পাওয়া সাইফার্ট ত্রয়োদশ ওভারে চড়াও হন মোহাম্মদ নাবির উপর। অভিজ্ঞ অফ স্পিনারের বলে টানা দুটি ছক্কার পর চার মেরে ক্যাচ দেন সীমানায়।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জয়ে শুরু করতে পারার স্বস্তি উঠে এলো সাইফার্টের কথায়।
“কঠিন কন্ডিশন। পেসারদের চাপে ফেলে দিতকে চেয়েছিলাম ফিন ও আমি। কখনও কখনও পেসের চেয়ে স্পিন খেলা সহজ। বিশ্বজুড়ে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া নেওয়া এবং নিজের উপর আস্থা সহায়ক হয়।”
সাইফার্টের গড়ে দেওয়া ভিতের উপর দাঁড়িয়ে বাকি কাজ সহজেই সারে নিউ জিল্যান্ড।