৯৯ রানে বেঁচে গিয়ে সেঞ্চুরির ঠিকানায় মেন্ডিস
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই প্রথম তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক।
সেঞ্চুরি থেকে তখন এক রান দূরে কুসাল মেন্ডিস। ইংল্যান্ডের কট বিহাইন্ডের আবেদনে আঙুল তুলে দিলেন আম্পায়ার। রিভিউ নিতে দেরি করলেন না ব্যাটসম্যানও। রিপ্লেতে দেখা গেল, ব্যাটে লাগেনি বল। বেঁচে গিয়ে পরের বলেই চমৎকার শটে চার মেরে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে গেলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক।
লিডসে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১২১ রানের ইনিংস খেলেন মেন্ডিস। তিনটি ছক্কা ও ১৪টি চারে ১০০ বলের ইনিংসটি সাজান তিনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মেন্ডিস। ওয়ানডেতে দলটির বিপক্ষে তার আগের সেরা ছিল অপরাজিত ৯৩ রান। আর টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংস ৮৬ রানের।
সব মিলিয়ে ওয়ানডেতে সপ্তম সেঞ্চুরি করলেন মেন্ডিস। ডানহাতি ব্যাটসম্যানের এই সংস্করণে আগের শতক ছিল ২০২৫ সালের জুলাইয়ে, বাংলাদেশের বিপক্ষে ১২৪ রান।
হেডিংলিতে এদিন দশম ওভারে নিসাঙ্কা আউট হলে ক্রিজে যান মেন্ডিস। শুরুতে মন্থর ছিল তার রানের গতি। প্রথম ১০ বলে ৩ রান করেন তিনি। মুখোমুখি পঞ্চদশ ও ষোড়শ বলে চার ও ছক্কায় খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।
উইল জ্যাকসকে চার মেরে ৪৭ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন মেন্ডিস। পঞ্চাশের পর আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। ২৫তম ওভারে টাংয়ের ওপর বইয়ে দেন ঝড়। তিনটি চারের সঙ্গে মারেন একটি ছক্কা।
কয়েক ওভার পর টাংকে টানা দুটি চার মেরে নব্বইয়ে পৌঁছে যান এই কিপার-ব্যাটসম্যান। পরে জেমি ওভারটনকে ওই চার মেরে কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন তিনি। শতক ছোঁয়ার এক বল পর আপারকাটে কিপারের মাথার ওপর দিয়ে বল বাউন্ডারিতে পাঠান মেন্ডিস।
৩৬তম ওভারে বাজে মেন্ডিসের বিদায় ঘণ্টা। লেগ স্পিনার রেহান আহমেদকে স্লগ-সুইপ করে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন তিনি।
সাত বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে সেঞ্চুরি করলেন শ্রীলঙ্কার কোনো ব্যাটসম্যান। আগের শতকটি এসেছিল অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের ব্যাট থেকে, ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে।
