১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪ কার্তিক ১৪৩৩

যে কারণে দ্বিতীয় দিনে বোলিং করেননি সাকিব

দ্বিতীয় দিন ভারতের ইনিংসে পুরো সময় মাঠে থাকলেও বোলিংয়ে আসেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 15 Dec 2022, 08:16 PM

Updated : 15 Dec 2022, 09:48 PM

পেরিয়ে যাচ্ছে একের পর এক ওভার। অনায়াস ব্যাটিংয়ে জুটি বড় করছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও কুলদিপ যাদব। দুজনের দৃঢ়তায় বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবিয়ে দ্বিতীয় দিন প্রায় দেড় সেশন ব্যাট করেছে ভারত। কিন্তু সাকিব আল হাসানের বোলিংয়ে আসার নামই নেই! শেষ পর্যন্ত এ দিন আর বোলিংই করলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। দিনের খেলা শেষে জানা গেল, কাঁধের ব্যথা ভোগাচ্ছে এই অলরাউন্ডারকে।

পাঁজরের চোটে ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে সাকিবের খেলা নিয়েই ছিল অনিশ্চয়তা। ম্যাচের আগের দিন স্ক্যান করানোর জন্য দলের অনুশীলনের মাঝেই মাঠ থেকে তাকে ছুটতে হয় হাসপাতালে। পরে রিপোর্ট ভালো আসায় বুধবার লোকেশ রাহুলের সঙ্গে টস করেন তিনিই। 

ম্যাচের প্রথম দিন স্রেফ ১২ ওভার বোলিং করেন সাকিব। ৪ মেইডেনসহ স্রেফ ২৬ রান খরচ করলেও পাননি উইকেটের দেখা।  দলের অন্য সব স্বীকৃত বোলার তার চেয়ে বেশি বল করেন সেদিন। 

ষষ্ঠ ওভারে প্রথম বোলিংয়ে আসেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এরপর ৪০ ওভারের বিরতি। ৪৮তম ওভারে ফের বল হাতে নিয়ে করেন ৪ ওভারের স্পেল। শেষ সেশনে তৃতীয়বার বল হাতে নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে করেন ৭ ওভারের স্পেল। ৭৩তম ওভার করে থামেন তিনি। 

ভারতের ইনিংসের শেষ ৬০.৫ ওভারে আর বোলিং করেননি সাকিব। চেতেশ্বর পুজারা ও শ্রেয়াস আইয়ার কিংবা অশ্বিন-কুলদিপের জুটি বড় হতে থাকলেও আক্রমণে আসেননি তিনি। অথচ পুরো সময় মাঠেই ছিলেন সাকিব। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে বোলিং থেকে তার দূরে থাকা নিয়ে।

উত্তর মিলল দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের স্পিন কোচ রঙ্গনা হেরাথের কাছ থেকে। 

“তার কাঁধে কিছুটা ব্যথা আছে। আশা করি, সে দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করবে। সে হয়তো ১০-১২ ওভারের মতো বোলিং করেছে। আমি নিশ্চিত সে দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করবে।”

সাকিব ছাড়াও বৃহস্পতিবার ৪ ওভারের বেশি বোলিং করেননি পেসার ইবাদত হোসেন। এর মধ্যেই অবশ্য নিজের কাজ সারেন তিনি। বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে খেলতে থাকা শ্রেয়াসকে টানা বাউন্সারের পর হঠাৎ একটু ভেতরে ঢোকান লাইনে বল করেন ইবাদত। লাইন মিস করে বোল্ড হন শ্রেয়াস।

এরপর ফিল্ডিং করলেও বোলিংয়ে ডাকা হয়নি ইবাদতকে। পরে ব্যাটিংয়ে নামেন সাকিব-ইবাদত দুজনই। উইকেটে গিয়েই ছটফট করতে থাকা সাকিব স্রেফ ৩ রান করে আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন। তবে দশ নম্বরে নেমে একটি করে চার-ছয় মেরে ১৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন ইবাদত।