১২ ছক্কায় ওমারজাইয়ের রেকর্ড ইনিংস, রাজার সেঞ্চুরির রেকর্ড
আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের রান উৎসবের ম্যাচে জুটির রেকর্ডও হয়েছে একটি।
ছয় নম্বরে যখন ব্যাটিংয়ে নামলেন আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, তার দল তখন ধ্বংসস্তূপে, ৫ রানে নেই ৪ উইকেট! প্রতিপক্ষের বোলার হ্যাটট্রিকের দুয়ারে দাঁড়িয়ে। সেখান থেকে খুনে ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার। ম্যাচের পরের ভাগে ঝড়ো সেঞ্চুরিতে রেকর্ড গড়লেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও।
শারজাহতে বৃহস্পতিবার রান উৎসবের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ১৯ রানে হারায় আফগানিস্তান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ রানে ৪ ও ৩৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানিস্তান। সেখান থেকে তারা ২০ ওভারে তোলে ৭ উইকেটে ২২১ রান।
৪৪ বলে সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ১২ ছক্কা ও পাঁচটি চারে ৫০ বলে ১১৬ রান করেন ওমারজাই। এই সংস্করণে পূর্ণ সদস্য দলগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে ছয় নম্বরে বা নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম সেঞ্চুরি এটিই। এক্ষেত্রে আগের সর্বোচ্চ ছিল আফগানিস্তানেরই মোহাম্মাদ নাবির ৮৯, ২০১৭ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সাত নম্বরে নেমে ইনিংসটি খেলেছিলেন তিনি।
আফগানদের ইনিংসে রেকর্ড হয়েছে আরও। ষষ্ঠ উইকেটে ওমারজাই ও ইজাজ আহমাদ আহমাদজাই গড়েন ৫৯ বলে ১৪২ রানের জুটি। এই সংস্করণে ষষ্ঠ উইকেটে বা এর নিচে সর্বোচ্চ রানের জুটি এটিই। ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ষষ্ঠ উইকেটে আন্দ্রে রাসেল ও শেরফেন রাদারফোর্ডের ১৩৯ রানের জুটি ছিল আগের রেকর্ড।
টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ঝড়ো ফিফটি করেন ইজাজ। পাঁচ চার ও তিন ছক্কায় ২৭ বলে ৫২ রান করেন তিনি। চারটি ছক্কায় ৬ বলে ২৫ রান করেন রাশিদ খান। পরে একটি উইকেট নিয়ে অনন্য এক মাইলফলকও স্পর্শ করেন এই লেগ স্পিনার। প্রথম বোলার হিসেবে এই সংস্করণে ২০০ উইকেটের ঠিকানায় পা রাখেন তিনি।
জিম্বাবুয়ের হয়ে প্রায় একাই লড়াই করেন রাজা। তিন নম্বরে অধিনায়কের ৯ ছক্কা ও পাঁচ চারে ৫৬ বলে অপরাজিত ১০৬ রানের ইনিংসে ২০২ পর্যন্ত যেতে পারে জিম্বাবুয়ে।
এই সংস্করণে সবচেয়ে বেশি বয়সে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন রাজা। ম্যাচটি খেলার দিন তার বয়স ৪০ বছর ১৮৮ দিন।
এতদিন রেকর্ডটি ছিল জিব্রাল্টারের আভিনাশ পাইয়ের, ২০২১ সালে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে তিনি সেঞ্চুরি করেছিলেন ৩৯ বছর ২৭২ দিন বয়সে।
