২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

এক বছর পর ফিরে ইজাজের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড, রাশিদ ‘১৯৯’

প্রথম বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুইশ উইকেট নেওয়ার দুয়ারে পৌঁছে গেলেন রাশিদ খান, জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল আফগানিস্তান।

এক বছর পর ফিরে ইজাজের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড, রাশিদ ‘১৯৯’

ফিফটির পর ইজাজ আহমাদ আহমাদজাই (বাঁয়ে), উইকেট শিকারের পর রাশিদ খান (ডানে)। ছবি: এসিবি ফেইসবুক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 28 Oct 2026, 12:53 AM

Updated : 28 Oct 2026, 12:53 AM

প্রায় এক বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার উপলক্ষ চমৎকার ব্যাটিংয়ে রাঙালেন ইজাজ আহমাদ আহমাদজাই। চাপের মুখে ক্রিজে গিয়ে ঝড়ো ফিফটিতে রেকর্ড বইয়ে নাম লেখালেন তিনি। ব্যাটে-বলে আলো ছড়ালেন রাশিদ খান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুইশ উইকেট নেওয়ার দুয়ারে পৌঁছে গেলেন এই তারকা অলরাউন্ডার। জিম্বাবুয়েকে অনায়াসে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল আফগানিস্তান।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ইব্রাহিম জাদরানের দলের জয় ৩৭ রানে।

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার আফগানদের ১৭৭ রানের জবাবে ১৪০ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তিন ওভারের মধ্যে ১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানিস্তান। সেখান থেকে ১২তম ওভারে ৬৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল তারা।

এরপরই সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে দুর্দান্ত পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন ইজাজ। ২০ বলে ফিফটি করেন তিনি। এই সংস্করণে যা আফগানিস্তানের হয়ে যৌথভাবে দ্রুততম ফিফটি। গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোহাম্মাদ নাবি ও হংকংয়ের বিপক্ষে আজমাতউল্লাহ ওমারজাই ২০ বলে ফিফটি করেছিলেন।

দেশের হয়ে আগের চারটি টি-টোয়েন্টির সবশেষটি ইজাজ খেলেছিলেন ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর। ফেরার ম্যাচে চারটি করে চার ও ছক্কায় ২২ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন ২৩ বছর বয়সি ক্রিকেটার।

পাঁচ নম্বরে ৪২ বলে ৪৬ রান করেন শাহিদউল্লাহ। আট নম্বরে চারটি ছক্কা ও একটি চারে ১০ বলে ৩০ রান করেন রাশিদ।

শেষ ওভারে তিনটিসহ ৩১ রানে ৪ উইকেট নেন জিম্বাবুয়ের নিউম্যান নিয়ামুরি।

রান তাড়ায় জিম্বাবুয়ে সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি কখনোই। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ১১ বল বাকি থাকতে অলআউট হয়ে যায় তারা। সর্বোচ্চ ৩২ রান করতে পারেন রায়ান বার্ল।

১৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের সফলতম বোলার বাঁহাতি পেসার ফাজালহাক ফারুকি।

আঁটসাঁট বোলিংয়ে ২০ রানে ২ উইকেট নেন লেগ স্পিনার রাশিদ। ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন তিনিই।

এই সংস্করণে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি রাশিদের মোট উইকেট হলো ১৯৯টি। ১৭১ উইকেট নিয়ে দুই নম্বরে আছেন ইংলিশ লেগ স্পিনার আদিল রাশিদ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

আফগানিস্তান: ১৯.৫ ওভারে ১৭৭ (গুরবাজ ১৮, ইব্রাহিম ৫, আটাল ২, আকরাম ৪, শাহিদউল্লাহ ৪৬, ওমারজাই ৪৬, রাশিদ ৩০, নুর ৬, মুজিব ১, ফারুকি ০*; নিয়ামুরি ৩.৫-০-৩১-৪, ইভান্স ৪-০-৩৪-২, মাসুকু ৪-০-৪১-২, মাসাকাদজা ৪-০-৩৮-১, রাজা ৪-০-৩৩-১)

জিম্বাবুয়ে: ১৯.১ ওভারে ১৪০ (বেনেট ১৩, কারান ৭, কাইয়া ২৪, বার্ল ৩২, রাজা ১৭, মারুমানি ৭, মাধেভেরে ১৭, ইভান্স ৪, নিয়ামুরি ২, মাসুকু ০, মাসাকাদজা ৭*; ফারুকি ৩.১-০-১৩-৩, ওমারজাই ৪-০-৩৯-১, মুজিব ৪-০-২৭-২, রাশিদ ৪-০-২০-২, শাহিদউল্লাহ ১-০-১২-১)

ফল: আফগানিস্তান ৩৭ রানে জয়ী

সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে আফগানিস্তান

ম্যান অব দা ম্যাচ: রাশিদ খান