নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ে সাউদি নিজেই
নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক মনে করছেন, দলে তার জায়গা এখন নড়বড়ে।
সময়টা একদমই ভালো যাচ্ছে না টিম সাউদির। বল হাতে নিজের সামর্থ্যের ছাপ রাখতে পারছেন না তিনি। এর প্রভাব পড়ছে দলের পারফরম্যান্সেও। নিউ জিল্যান্ডের অভিজ্ঞ পেসার মনে করছেন, দলে তার জায়গা এখন নড়বড়ে। তাই বছরের শেষ দিকে এশিয়া সফরে কিউইদের নেতৃত্বে থাকা নিয়ে সংশয়ে আছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে সাউদির বোলিংয়ে আগের মতো ধার দেখা যাচ্ছে না। সবশেষ চার টেস্টের ৮ ইনিংসে নিতে পেরেছেন কেবল ৬ উইকেট। এই সময়ে বোলিং গড় ৭১.৩৩। এই চারটি ম্যাচই ঘরের মাঠে পেস সহায়ক কন্ডিশনে খেলেছেন তিনি।
সাউদির পড়তি ফর্ম নিয়ে তাই চলছে আলোচনা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চে নিজের শততম টেস্ট খেলতে নামার আগে সাউদি নিজেও বলেছিলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী উইকেট নিতে পারছেন না তিনি।
মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচেও কিছুই করতে পারেননি ডানহাতি এই পেসার। দুই ইনিংসে নিয়েছেন একটি করে উইকেট। দলও হেরেছে খুব ভালো অবস্থান থেকে। রান তাড়ায় মিচেল মার্শের চমৎকার ফিফটির পর অ্যালেক্স কেয়ারি ও প্যাট কামিন্সের জুটিতে সোমবার ৩ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দুই টেস্টের সিরিজে স্বাগতিকদের করেছে হোয়াইটওয়াশ।
চেনা আঙিনায়, সহায়ক কন্ডিশনেই নিষ্প্রভ ৩৫ বছর বয়সী সাউদির পারফরম্যান্স। কিউই অভিজ্ঞ পেসার উপলব্ধি করতে পারছেন, উপমহাদেশের স্পিন সহায়ক কন্ডিশনে তার খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ। আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিপক্ষে আসছে টেস্ট সিরিজে তাই তার নেতৃত্ব ঝুলছে অনিশ্চয়তার সুতোয়।
“দেখা যাবে কী হয়। এশিয়া সফরে গেলে অবশ্যই দল গঠনে কিছুটা পরিবর্তন আসে, কারণ বিশ্বের ওই প্রান্তে স্পিন সবচেয়ে বড় হুমকি। তবে যখন সেখানে যাব, দেখব কী করা যায়। আজ রাতে এসব নিয়ে আলোচনা করব এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।”
সাউদি এশিয়ায় সবশেষ খেলেন গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে, বাংলাদেশ সফরে। ১-১ সমতায় শেষ হওয়া দুই ম্যাচের ওই সিরিজটিতে স্রেফ চার উইকেট নেন তিনি।
