২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

‘অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর তীব্র তাড়না’ নিয়ে ইংল্যান্ডের দায়িত্বে ফ্লেমিং

অ্যাশেজের লড়াইয়ে নামতে তর সইছে না ইংল্যান্ড টেস্ট দলের নতুন কোচের, অনেক বড় স্বপ্নের কথাও বললেন তিনি।

‘অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর তীব্র তাড়না’ নিয়ে ইংল্যান্ডের দায়িত্বে ফ্লেমিং

স্টিভেন ফ্লেমিং। ফাইল ছবি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 20 Sep 2026, 06:04 PM

Updated : 20 Sep 2026, 06:23 PM

ইংলিশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা বলা যেতে পারে অ্যাশেজকে। যে লড়াইয়ের উত্তাপ-উন্মাদনা ছুঁয়ে যায় বাকি ক্রিকেট দুনিয়াকেও। ইংল্যান্ড টেস্ট দলের নতুন কোচ স্টিভেন ফ্লেমিং যেমন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার আগেই অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর লক্ষ্য স্থির করেছেন।

গত জুলাইয়ে ফ্লেমিংকে টেস্ট দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় ইংল্যান্ড। আগামী ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব শুরু করবেন ফ্লেমিং। তার আগেই অবশ্য কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজের সময় সংক্ষিপ্ত সফরে দলের সঙ্গে যোগ দেন ফ্লেমিং। উদ্দেশ্য, কোচিং স্টাফের অন্যদের পাশাপাশি টিম ম্যানেজমেন্ট, অধিনায়ক ও দল সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কিছুটা আলাপ সেরে নেওয়া, সবকিছু সম্পর্কে ধারণা নেওয়া।

ম্যানচেস্টারে শনিবার লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশ করে ইংল্যান্ড। ম্যাচটির আগে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফ্লেমিং। ইংল্যান্ডের কোচ হওয়ার পর এই প্রথম গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন নিউ জিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক।

ইংল্যান্ড টেস্ট দলের কোচের পদে জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থ ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রেন্ডন ম্যাককালামের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ফ্লেমিং। ম্যাককালাম এখন ইংলিশদের সাদা বলের দলের কোচ।

তাসমান সাগর পারের দুই দেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ড। গণমাধ্যমে কথা বলার এক ফাঁকে, নিজেদেরকে অস্ট্রেলিয়ার ‘ছোট কাজিন’ বলেন ফ্লেমিং।

আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতেই হবে পরবর্তী অ্যাশেজ সিরিজ। ২০১৫ সালের পর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর লক্ষ্যে নামবে ইংলিশরা। গত অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৪-১ ব্যবধানে ধরাশায়ী হওয়ার প্রতিশোধও নিতে চাইবে তারা।

অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর ব্যাপারে ইংল্যান্ডের সবার মধ্যে অতিরিক্ত তাড়না কাজ করে কিনা, বিবিসি স্পোর্টের এমন প্রশ্নে ফ্লেমিং বলেন, “না, কারণ এ ব্যাপারে আমার মধ্যেও একটা আসক্তি কাজ করে। নিউ জিল্যান্ডেরও এমন একটা ব্যাপার আছে, আমরা এটা ভালোবাসি।

“আমরা অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে চাই। ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্সের সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্ক আছে। অস্ট্রেলিয়ার ‘ছোট কাজিন’ হিসেবে সবকিছুতেই তাদেরকে হারানোর তীব্র আকাঙ্ক্ষা কাজ করে আমাদের। আর আমাদের (ইংল্যান্ড-নিউ জিল্যান্ড) মধ্যে এক্ষেত্রে একটা মিল আছে, আর এর অংশ হতে পেরে আমি দারুণ রোমাঞ্চিত।”

অ্যাশেজ সিরিজের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকা ফ্লেমিং বললেন, ইংল্যান্ডের টেস্ট দল নিয়ে তার লক্ষ্য বড়।

“জীবনে এমন কোনো সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন, যা হয়তো কখনও ভাবেননি। সেই সুযোগ পাওয়া এবং এর অংশ হতে পারা- আমার তর সইছে না।

“আমি নিজের সেরাটা দিতে চাই এবং এমন একটি দল গড়তে চাই, যারা সেরা রূপে নিজেদের মেলে ধরবে। এ নিয়ে আমার একটা লক্ষ্য আছে, অনেক বড় কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আছে।”