Published : 02 Oct 2025, 02:29 PM
প্রথম ওভারে ছক্কা সাব্বির হোসেনের ব্যাট থেকে, পরের ওভারে হাবিবুর রহমান সোহানের ব্যাটে। সেই যে শুরু হলো, আর থামাথামি নেই। চার-ছক্কার তাণ্ডবে রানের স্রোত বইয়ে দিলেন দুজন। মৌসুমে প্রথমবার ২০০ রান চলে এলো কেবল ১৫ ওভারেই। কিন্তু সেই রানের জোয়ার থমকে গেল বৃষ্টির ছোঁয়ায়।
জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টির ১৭তম ম্যাচে এসে দেখা মিলল প্রথম দুইশ রানের দলীয় স্কোর। ইনিংসের তখনও পাঁচ ওভার বাকি। কিন্তু ইনিংসের বাকিটা তো বটেই, ম্যাচের বাকিটুকুও ভেসে গেল বৃষ্টিতে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আউটার মাঠে বৃহস্পতিবার সিলেটের বোলারদের তুলাধুনা করে ১৫ ওভারে ২০০ রান তোলে রাজশাহী। এরপর পরিত্যক্ত হয় খেলা।
দুই ওপেনারের বিধ্বংসী জুটিতেই গড়ে ওঠে বড় স্কোরের ভিত। নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বের পাশাপাশি ইনিংস ওপেন করার দায়িত্ব পেয়ে ৩৫ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন সাব্বির হোসেন। চারটি চারের সঙ্গে সাত ছক্কায় গড়া ইনিংসটি তার ক্যারিয়ার সেরা।
সপ্তাহখানেক আগে ৪৫ বলে ৯৪ রানের ইনিংস খেলা হাবিবুর রহমান সোহান এবার করেন পাঁচটি করে চার ও ছক্কায় ৩৫ বলে ৬৭।

প্রথম তিন ওভারে ৩৪ রান তোলা রাজশাহী পরের চার ওভারে তোলে ৬৪ রান!
চতুর্থ ওভারে রাহাতুল ফেরদৌসকে তিন চার ও এক ছক্কায় সোহান তোলেন ২০ রান। পরের ওভারে রেজাউর রহমান রাজাকে দুটি ছক্কা এক চারে ১৮ রান নেন সাব্বির।
দুই ব্যাটসম্যান ফিফটি স্পর্শ করেন ২৩ বলে। দলের শতরান আসে অষ্টম ওভারে। পরে নাবিল সামাদের ওভারে তিনটি ছক্কা মারেন দুজন মিলে।
জুটি শেষ পর্যন্ত থামে ৬৪ বলে ১৪১ রান তুলে। ইবাদত হোসেনের বলে বিদায় নেন সোহান।
জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি এটি। কদিন আগে সোহানের ৯৪ রানের সেই ইনিংসের পথে শান্তর সঙ্গে জুটি ছিল ১৪৮ রানের।
সোহানকে হারানোর পরের ওভারে সৈয়দ খালেদ আহমেদকে ফিরতি ক্যাচ দেন সাব্বির।
তবে রানের ধারা ধরে রাখেন আরেক সাব্বির ও প্রিতম কুমার। দুই ছক্কায় ৮ বলে ২০ রান করেন সাব্বির রহমান, কিপার-ব্যাটার প্রিতমের ব্যাট থেকে আসে ১১ বলে ২২।
রান আউটে প্রিতমের বিদায়ের পরই বন্ধ হয় খেলা। আর শুরু হতে পারেনি তা।
দিনের আরেক ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ঢাকা বিভাগ ও ঢাকা মেট্রোর। সেই ম্যাচ শুরুই হতে পারেনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
রাজশাহী বিভাগ: ১৫ ওভারে ২০০/৪ (সোহান ৬৭, সাব্বির হোসেন ৭৭, সাব্বির রহমান ২০, প্রিতম ২২, মেহরব ৮*; ইবাদত ৩-০-৩৬-০, নাবিল ২-০-৩৬-০, খালেদ ৩-০-৩২-১, রাহাতুল ১-০-২০-০, রেজাউর ৩-০-৪৩-১, তোফায়েল ৩-০-৩৩-০)