০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কোয়ালিফায়ার ম্যাচের মতো ফাইনালেও ম্যান অব দা ম্যাচ নাসির হোসেন, টানা দ্বিতীয়বার শিরোপাজয়ী অধিনায়ক আকবর আলি।
জটিল চোট কাটিয়ে সাড়ে পাঁচ বছর পর ক্রিকেটে ফেরা অভিষেক দাস ঝড় তুললেন ব্যাট হাতে, সঙ্গে দারুণ ইনিংস খেললেন নাহিদুল ইসলামও।
বিফলে গেল ছয় ছক্কায় মোসাদ্দেক হোসেনের ৩৬ বলে ৬১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস, এলিমিনেটর ম্যাচের ফয়সালা হলো ১ বল বাকি রেখে ১ উইকেটের জয়ে ।
এই টুর্নামেন্টের আগে টি-টোয়েন্টিতে সাদমানের গড় ছিল ১৬, স্ট্রাইক রেট ছিল ৯৩, টেস্ট ক্রিকেটারের তকমা লেগে থাকা সেই ব্যাটসমানই উপহার দিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি।
দারুণ পারফরম্যান্সে দলের জয়ে অবদান রাখলেন দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।
৭ ছক্কায় ৩৫ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন সাব্বির, কয়েক দিন আগে ৪৫ বলে ৯৪ রানের ইনিংসের পর এবার সোহান করেন ৩৫ বলে ৬৭।
দারুণ ইনিংস খেলে দলকে জেতালেন মাহমুদুল হাসান জয়, ব্যাটে-বলে অবদান রাখলেন জিয়াউর রহমান।
ব্যাটে-বলে পারফর্ম করে দলকে জিতিয়েছেন আইচ মোল্লা ও সুমন খান, চার ওভারে মাত্র ১০ রানে তিন উইকেট নিয়েছেন নাজমুল ইসলাম অপু।