Published : 25 Dec 2025, 10:19 AM
দেশে ফেরার উড়ানে পাশাপাশি আসনে মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। সামাজিক মাধ্যমে ছবিটি পোস্ট করেছেন তাসকিন। ক্যাপশনে লিখেছেন, “আইএল টি-টোয়েন্টি শেষে ফিরছি দেশে। শারজাহ ওয়ারিয়র্জকে সত্যিই ধন্যবাদ দারুণ আতিথেয়তার জন্য। এখন অপেক্ষায় আছি বিপিএলের।”
দেশের বাইরের লিগে খেলে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ দুই পেসার এখন লড়বেন দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। দুজনে ঢাকায় ফিরছেন বৃহস্পতিবার। বিপিএলে এবার মুস্তাফিজকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নিয়েছে টুর্নামেন্টের ফেভারিট দল রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস নিয়েছে তাসকিনকে।
আইএল টি-টোয়েন্টিতে এবারই প্রথম খেললেন মুস্তাফিজ ও তাসকিন। আইপিএল, পিএসএল, এলপিএল ও ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের পর আরেকটি লিগের অভিজ্ঞতা হলো মুস্তাফিজের। চলতি বছর বল হাতে অসাধারণ ফর্মে থাকা বাঁহাতি পেসার এই আসরেও ছিলেন ক্ষুরধার। দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে ৮ ম্যাচে ওভারপ্রতি ৮.০৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ১৫ উইকেট। এখনও পর্যন্ত টুর্নামেন্টে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ।
রংপুর রাইডার্সের হয়ে এবারই প্রথম খেলবেন মুস্তাফিজ। রংপুরের আরেক ফ্র্যাঞ্চাইজি রংপুর রেঞ্জার্সের হয়ে অবশ্য তিনি খেলেছেন ২০১৯-২০ বিপিএলে। সেবার ১২ ম্যাচে ২০ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি, বিপিএলে যা তার এক আসরে ব্যক্তিগত সেরা।
দেশের বাইরের টি-টোয়েন্টি লিগে তাসকিন আগে খেলেছিলেন শুধু গত বছর এলপিএলে তিনটি ম্যাচ। এবার শারজাহ ওয়ারিয়র্জের হয়ে ৬ ম্যাচ খেলে উইকেট নিয়েছেন তিনি ৯টি, ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৮.৭৬। আইএল টি-টোয়েন্টির আগে আবু ধাবি টি-টেন লিগে নর্দান ওয়ারিয়র্সের হয়ে ৬টি ম্যাচে খেলেছেন ৩০ বছর বয়সী পেসার। সেই টুর্নামেন্টকে অবশ্য স্বীকৃত ক্রিকেট ধরা হয় না।
তাসকিন গত বিপিএলে খেলেন দুর্বার রাজশাহীর হয়ে। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ২৫ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি, ইতিহাস গড়েছিলেন এক ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে।
বিপিএলে সব মিলিয়ে ৯০ ম্যাচে তাসকিনের প্রাপ্তি ১২৭ উইকেট, পেসারদের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। স্পিনারদের মিলিয়ে তার ওপরে আছেন কেবল সাকিব আল হাসান (১১৩ ম্যাচে ১৪৯ উইকেট)। ৮২ ম্যাচে ১০৫ উইকেট নিয়ে মুস্তাফিজ আছেন উইকেট শিকারিদের তালিকায় চারে।