Published : 04 Apr 2026, 12:38 AM
প্রথম ওভারে আঁটসাঁট বোলিংয়ে একটি উইকেট নিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। পরের দুই ওভারে যদিও খরুচে বোলিং করলেন তিনি। তবে আরও একটি উইকেট নিয়ে দলের সফলতম বোলার এই বাঁহাতি পেসারই।
লাহোর কালান্দার্সের জয়ে ফেরায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে মুস্তাফিজের এই বোলিং। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে মুলতান সুলতানসকে ২০ রানে হারিয়েছে শাহিন শাহ আফ্রিদির দল।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শুক্রবার বৃষ্টির কারণে ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে কালান্দার্স করে ৫ উইকেটে ১৮৫ রান। জবাবে ১৬৫ রানে আটকে যায় সুলতানস।
তিন ওভারে ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন মুস্তাফিজ। কালান্দার্সের এই জয়ে বড় অবদান আছে বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার পারভেজ হোসেনেরও। প্রথম দুই ম্যাচে চার নম্বরে ব্যর্থতার পর, প্রথমবার ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে পাঁচ ছক্কা ও দুই চারে ১৯ বলে ৪৫ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
রান তাড়ায় প্রথম পাঁচ ওভারে ২ উইকেটে ৪৮ রান করে সুলতানস। ষষ্ঠ ওভারে বোলিং পান মুস্তাফিজ। স্রেফ ৫ রান দিয়ে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সাহিবজাদা ফারহানকে বিদায় করেন তিনি। স্লোয়ার ডেলিভারি বেরিয়ে এসে খেলে লং অনে ধরা পড়েন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান। বাকি পাঁচ বল থেকে আসে কেবল পাঁচটি সিঙ্গল।
অষ্টম ওভারে মুস্তাফিজের প্রথম তিন বলের মধ্যে পরপর দুটি চার মারেন শান মাসুদ। বাকি তিন বলে চার রানের বেশি তিনি দেননি। এই ওভারে আসে ১৩ রান।
দশম ওভারে দ্বিতীয় উইকেটের দেখা পান মুস্তাফিজ। দ্বিতীয় বলে চার মেরে তৃতীয় বলে ফুল টস মিস করে এলবিডব্লিউ হন মাসুদ (১৮ বলে ৪৪)। শেষ তিন বলে দুটি ছক্কা হজম করেন মুস্তাফিজ। এই ওভারে আসে মোট ১৯ রান।
আসরে তিন ম্যাচে প্রথমবার একাধিক উইকেট পেলেন মুস্তাফিজ। প্রথম দুই ম্যাচে আঁটসাঁট বোলিংয়ে তার উইকেট ছিল একটি করে।
অধিনায়ক অ্যাশটন টার্নারের ২২ বলে অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংসে পরাজয়ের ব্যবধানই শুধু কমাতে পারে সুলতানস।
মুস্তাফিজের দুটি ছাড়া একটি করে উইকেট পান আফ্রিদি, উবাইদ শাহ ও সিকান্দার রাজা।
ব্যাট হাতে কালান্দার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন মোহাম্মাদ নাইম। ২৮ বলে চারটি করে চার ও ছক্কায় গড়া ইনিংসে ম্যাচ সেরার স্বীকৃতিও পান এই ওপেনার।