Published : 25 Apr 2026, 08:32 PM
একটা সময় দুই দলই ছিল প্রায় সমানে-সমান। তখন পরপর দুই ওভারে শ্রেয়াস আইয়ারের সহজ দুটি ক্যাচ ফেললেন বদলি ফিল্ডার কারুন নায়ার। ২৮ ও ৩৫ রানে জীবন পেয়ে অপরাজিত ৭১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। আড়াইশ ছড়ানো লক্ষ্য তাড়ায় রেকর্ড গড়ে জিতল তার দল।
আইপিএলে শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের ২৬৪ রান ১৮.৫ ওভারেই পেরিয়ে গেছে পাঞ্জাব কিংস। জয় পেয়েছে তারা ৬ উইকেটের। আইপিএল তো বটেই, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয় এটি।
আগের রেকর্ডও ছিল পাঞ্জাবের। ২০২৪ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২৬২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় জিতেছিল তারা।
পাঞ্জাবের দরকার যখন ৩১ বলে ৬৩ রান, তখন প্রথমবার লং-অফে শ্রেয়াসের ক্যাচ ফেলেন কারুন। পরের ওভারে একই ব্যাটসম্যানের আরেকটি সহজ ক্যাচ ফেলেন তিনি লং-অনে।
সুযোগ দুটি কাজে লাগিয়ে, সাত ছক্কা ও তিন চারে ৩৬ বলে ৭১ রানের ইনিংসে দলের জয় নিয়ে ফেরেন শ্রেয়াস।
দিল্লিতে বড় লক্ষ্য তাড়ায় পাঞ্জাবকে উড়ন্ত শুরু এনে দেন প্রিয়ানশ আরিয়া ও প্রাভসিমরান সিং। দুজনের তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতে আসে বিনা উইকেটে ১১৬ রান। আইপিএলে প্রথম ছয় ওভারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এটি। ২০২৪ সালে দিল্লির বিপক্ষেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদ প্রথম ছয় ওভারে করেছিল বিনা উইকেটে ১২৫।
পাঁচ ছক্কা ও দুই চারে ১৭ বলে ৪৩ রান করে ফেরেন প্রিয়ানশ। পাঁচ ছক্কা ও ৯ চারে ২৬ বলে ৭৬ রান করেন প্রাভসিমরান। একটি করে চার ও ছক্কা মেরেই বিদায় নেন কুপার কনোলি।
১৯ রানের মধ্যে এই তিন জনকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় পাঞ্জাব। তবে চতুর্থ উইকেটে ৩১ বলে ৫৬ রানের জুটিতে দলকে কক্ষপথে রাখেন শ্রেয়াস ও নেহাল ওয়াধেরা।
১৫ বলে ২৫ রান করে ফেরেন ওয়াধেরা। ভিপরাজ নিগামের ওই ওভারেই প্রথম দফায় শ্রেয়াসের ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন কারুন। এর চড়া মূল্যই দিতে হলো দিল্লিকে।
বিফলে গেল লোকেশ রাহুলের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। ১৬ চার ও ৯ ছক্কায় ৬৭ বলে অপরাজিত ১৫২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ১১ চার ও চার ছক্কায় ৪৪ বলে ৯১ রান করেন নিতিশ রানা। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন গড়েন ২২০ রানের রেকর্ড জুটি।