টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
Published : 29 Jan 2026, 05:39 PM
সদ্য সমাপ্ত বিগ ব্যাশে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েও পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিতে পারেননি হারিস রউফ। ছন্দে থাকা এই পেসারকে বৈশ্বিক আসরে দেখা যাবে না, মানতে পারছেন না অ্যারন ফিঞ্চ। রউফের বাদ পড়ায় অবাক হয়েছেন মাইকেল ক্লার্কও। তবে তিনি বুঝতে পারছেন পেছনের কারণ।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবশেষ আসরেও পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন রউফ। এখন পর্যন্ত ২০ ওভারের বৈশ্বিক আসরে ১৭ ম্যাচ খেলে ২৩ উইকেট নিয়েছেন এই গতিময় পেসার।
তবে গত এশিয়া কাপের পর আর টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পাননি রউফ। এই সংস্করণে ৯৪ ম্যাচে ওভারপ্রতি ৮.৩৮ করে রান দিয়ে তার শিকার ১৩৩ উইকেট। ম্যাচে চারটি করে শিকার ধরতে পেরেছেন পাঁচবার, পাঁচ উইকেট পাননি একবারও।
বল হাতে রউফের সাম্প্রতিক ফর্ম অবশ্য দুর্দান্ত। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে ১১ ম্যাচে ২০ উইকেট নেন তিনি। এক ম্যাচ বেশি খেলে ১৯ শিকার ধরেন রানার্সআপ দল সিডনি সিক্সার্সের জ্যাক অ্যাডওয়ার্ডস।
বিগ ব্যাশে এমন পারফরম্যান্স করার পরও রউফের বিশ্বকাপ দলে না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ফিঞ্চ।
“আমি সত্যিই অবাক হয়েছিলাম, যখন দেখলাম যে সে (পাকিস্তানের) বিশ্বকাপের দলে নেই। আমার মনে হয়, সে দলের জন্য এক্স-ফ্যাক্টর।”
“হ্যাঁ, মাঝেমধ্যে সে একটু খরুচে বোলিং করে। তবে দলে যখন ম্যাচের তিন পর্যায়েই (পাওয়ার প্লে, মাঝের ওভার ও ডেথ ওভার) উইকেট নেওয়ার মতো সত্যিকারের একজন বোলার থাকে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আমার কাছে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, ব্যাটিং সহায়ক পিচেও কীভাবে উইকেট বের করতে হয়, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই, হ্যাঁ, আমি তার দলে না থাকায় বিস্মিত হয়েছি।”
২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ক্লার্কের ভাবনা কিছুটা ভিন্ন। তার মতে, শ্রীলঙ্কার কন্ডিশন মাথায় রেখেই হয়তো রউফকে দলে রাখেনি পাকিস্তান।
“অবাক হয়েছি, তবে আরেকটা বিষয়ও দেখতে হবে, অস্ট্রেলিয়ায় খেলা আর শ্রীলঙ্কা ও ভারতে খেলার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। কন্ডিশন বুঝে ও দলে ভূমিকার ওপর ভিত্তি করে দল সাজানো হয়। তাই স্পষ্টতই তারা তাকে বিগ ব্যাশে যে ভূমিকায় খেলতে দেখেছে, সেই ভূমিকায় বিশ্বকাপে দেখছে না।”
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ‘এ’ গ্রুপে পাকিস্তান তাদের ম্যাচগুলো খেলবে শ্রীলঙ্কায়।