Published : 18 Jun 2026, 09:31 PM
ব্যাট হাতে ২২ গজে ছড়ি ঘোরালেন গ্লেন ফিলিপস। পেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পরের ওভারে ম্যাথু ফিশারের শর্ট বলে তিনি ডিপ মিডউইকেটে ধরা পড়ার পর ধারাভাষ্যকার বললেন, ‘ওভালে খুবই স্পেশাল ইনিংস।’ ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় অসাধারণ ইনিংস তো বটেই, ফিলিপসের নিজের জন্যও বিশেষ কিছু।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় দিনে এই স্বাদ পান ফিলিপস। সাত নম্বরে নেমে ১৮ চারে ১৩৫ বলে ১০০ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন ২৯ বছর বয়সী ক্রিকেটার।
এই ইনিংসে দারুণ এক অর্জনেও নাম লেখা হয়ে গেছে ফিলিপসের। নিউ জিল্যান্ডের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরির কীর্তি গড়লেন তিনি।
দেশটির প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই নজির গড়েন যিনি, সেই ব্রেন্ডন ম্যাকক্যালামের সামনেই তার পাশে বসলেন ফিলিপস। সাবেক কিউই ব্যাটসম্যান এখন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ। অন্যজন মার্টিন গাপটিল।
নিউ জিল্যান্ডের বেশ কয়েকজন ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস টেনে নিতে পারেননি। ড্যারিল মিচেল আউট হন চল্লিশ পেরিয়ে। টম ব্লান্ডেল ফেরেন ফিফটি ছুঁয়ে। তবে ফিলিপস ভালো শুরুটাকে কাজে লাগিয়ে নিউ জিল্যান্ডকে পৌঁছে দেন চারশর কাছে। একপর্যায়ে ১০৭ রানে ৪ উইকেট ও ২৮০ রানে ৭ উইকেট হারানো দল থামে ৩৯১।
গতিময় পেসার জফ্রা আর্চারের শর্ট বলের তোপ সামলে প্রথম দিন শেষে ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন ফিলিপস। নিউ জিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২৯১।
অষ্টম উইকেটে কাইল জেমিসনের সঙ্গে ইনিংস সর্বোচ্চ ৮৭ রানের জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। ৪৮ বলে ৪১ রান করে ফেরেন জেমিসন।
সেঞ্চুরি থেকে তখনও ১৭ রান দূরে ছিলেন ফিলিপস। ম্যাট হেনরিকে সঙ্গে নিয়ে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে যান তিনি। ৯৯ থেকে আর্চারের বলে এক রান নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১৩৩ বলে।
পরের বলে বিদায় নেন হেনরি। পরের ওভারে থামে ফিলিপসের দুর্দান্ত ইনিংস, শেষ হয় নিউ জিল্যান্ডের ইনিংসও।
২০২৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ৭২ বলে ৮৭ রান করেছিলেন ফিলিপস। এতদিন এটিই ছিল তার সর্বোচ্চ ইনিংস। ১৯তম টেস্টে পেলেন প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ।
নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওভালে ফিলিপসের আগে সেঞ্চুরি ছিল একটিই। ১৯৮৬ সালে ৩৪৩ বলে ১১৯ রান করেছিলেন জন রাইট।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দুটি করে সেঞ্চুরি আছে ফিলিপসের।