Published : 23 May 2026, 06:43 PM
দিবা-রাত্রির টেস্টেই কেবল ব্যবহার করা হয় গোলাপি বল। এবার লাল বলের টেস্টেও পরিস্থিতি বিবেচনায় গোলাপি বলে ‘সুইচ’ করার কথা ভাবছে আইসিসি। তিন সংস্করণেই প্লেয়িং কন্ডিশনে বড় কিছু পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করা বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা।
নিয়মের এসব পরিবর্তন এখন আলোচনার টেবিলে আছে। আগামী ৩০ মে আহমেদাবাদে অনুষ্ঠেয় আইসিসির বোর্ড সভায় অনুমোদন পেলে খুব শীঘ্রই কার্যকর এগুলো হতে পারে। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর, নতুন নিয়মগুলো আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার আইসিসির নির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় প্লেয়িং কন্ডিশনে পরিবর্তনের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন আইসিসি ক্রিকেট কমিটির প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলিও।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে চমকপ্রদ বোধহয় ‘প্রচলিত টেস্ট ম্যাচ’ চলাকালে লাল বল পরিবর্তন করে গোলাপি বল ব্যবহারের বিষয়টি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে খেলা বাধাগ্রস্ত হলে এবং ফ্লাডলাইটের নিচে খেলা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়লে দুই দলের সম্মতিক্রমে গোলপি বল ব্যবহার করা যাবে।
বল পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি ম্যাচের মধ্যে ঠিক কীভাবে সামলানো হবে, তার খুঁটিনাটি বিষয়গুলো এখনও পরিষ্কার নয়। তবে এখানে মূল শর্তটি হলো ‘পারস্পরিক সম্মতি’, যা সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই নিশ্চিত করতে হবে।
পানি পানের বিরতির সময় প্রধান কোচের মাঠে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। এটা মূলত ওয়ানডে ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে করা হচ্ছে। কারণ বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কেবল অতিরিক্ত খেলোয়াড়রাই নির্দিষ্ট ক্রিকেটীয় পোশাকে মাঠে পানীয় নিয়ে যেতে পারেন। কোচ মাঠে প্রবেশের অনুমতি পেলে, তাকে দলের জার্সি পরে মাঠে যেতে হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রতি ইনিংসে দুটি পানি পানের বিরতি দেওয়া হয়, যা ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট পর পর নির্ধারিত থাকে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কৌশলগত কারণে পানি পানের বিরতির সময় মাঠের খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোচের কথা বলার নিয়মটি ইতিমধ্যেই চালু রয়েছে।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুই ইনিংসের মাঝের বিরতির সময় ২০ মিনিট থেকে কমিয়ে ১৫ মিনিট করার পরিকল্পনা করছে আইসিসি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হলো, কোনো বোলারের অ্যাকশন অবৈধ বা সন্দেহজনক কি-না, তা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে ম্যাচের মধ্যেই মাঠের আম্পায়ারদের ‘হক-আই’ প্রযুক্তির ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া। তবে এটা কীভাবে হবে, সেটা এখনও পরিষ্কার নয়।