Published : 18 Apr 2026, 06:20 PM
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে শ্রেয়াস আইয়ারের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের পর ক্যাচের বন্দনা চলছে এখনও। এতে যোগ দিয়েছেন জন্টি রোডসও। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ফিল্ডিং এখন কতটা এগিয়ে গেছে, সেটাও তুলে ধরেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই কিংবদন্তি।
আইপিএলে গত বৃহস্পতিবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ১৮তম ইনিংসে হার্দিক পান্ডিয়াকে অবিশ্বাস্যভাবে ফেরান শ্রেয়াস। অনেক উঁচুতে উঠে যায় বল। লং অনে ফিল্ডিং করছিলেন শ্রেয়াস। কিছুটা বাঁ দিকে দৌড়ে এসে সীমানা দড়ির কাছাকাছি শরীরটা শূন্য ভাসিয়ে দুই হাতে বল মুঠোয় জমান তিনি। তখন তার শরীরের প্রায় পুরোটা সীমানার বাইরে, সেটা বুঝতে পেরে শূন্যে থাকা অবস্থায় বলটা এক হাতে মাঠের ভেতরে ওপরের দিকে ছুড়ে দেন পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক। কাছেই দাঁড়িয়ে থাকা জেভিয়ার বার্টলেট অনায়াসে মুঠোয় জমান বল।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ওই ক্যাচ নিয়ে নিজের মত জানান রোডস।
“‘দলীয় ক্যাচ’ নেওয়ার পথে শ্রেয়াস আইয়ারের অ্যাক্রোবেটিক ফিল্ডিং দেখলাম। আমার অবসরের পর, ফিল্ডিং কতটা বিকশিত হয়েছে সেটার প্রশংসা করতে আমাকে বাধ্য করেছে।”
“লম্বা সময় ধরে, নিজেকে আমার মনে হতো, ‘ফাদার অব ফিল্ডিং।’ তবে বাউন্ডারি লাইনে আধুনিক অ্যাথলেটদের টাইমিং ও সচেতনতা দেখে নিজেকে মনে হচ্ছে ‘গ্র্যান্ডফাদার অব ফিল্ডিং।’”
নিজের সময়ে রিংয়ের ভেতরে রোডস ছিলেন দুর্দান্ত এক ফিল্ডার। অসাধারণ সব ক্যাচ নেওয়া, রান বাঁচানো, সরাসরি থ্রোয়ে রান আউট করায় ছিলেন পারদর্শী। সেরা ফিল্ডারদের তালিকায় তাকে উপরের দিকে রাখেন প্রায় সবাই। তার উপলব্ধি, বর্তমান সময়ে ফিল্ডিংয়ে উন্নতির পেছনে বড় ভূমিকা আছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের।
“আমার ক্যারিয়ারে ৯৯ শতাংশ সময় আমি সার্কেলের ভেতরে ফিল্ডিং করেছি। যখন আমি ফিল্ডিং কোচ হিসেবে কাজ শুরু করি, তখনও বাউন্ডারিতে এখনকার মতো ‘হটস্পট’ বলতে কিছু ছিল না।”
“যখন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করলাম এবং দেখলাম যে কাইরন পোলার্ড এবং পরে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল বাউন্ডারিতে ‘শূন্যে লাফিয়ে অবিশ্বাস্য সব সেভ’ করে। এরপর আমরা কেবল সীমানা পেরিয়ে ক্যাচ নেওয়াতেই কেবল মনোযোগ দিলাম না, ছয় বাঁচানোর দিকেও মনোযোগ দিলাম এবং ব্যাটারদের কেবল ১ কিংবা ২ রান নিতে বাধ্য করলাম।”