Published : 17 Jan 2026, 03:28 PM
দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০ জানুয়ারি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে ছাত্র সংসদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এখনও কোনো ভবন নেই।
প্রার্থীদের মতে, শাকসুকে কার্যকর ও ছাত্র রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে একটি নির্দিষ্ট ভবন অপরিহার্য।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল দপ্তরের তথ্য মতে, গোলচত্বরের দক্ষিণ পাশে ইটের দেয়ালের উপর টিন শেডের স্থায়ী শাকসু ভবন ছিল। ১৯৯৭ সনে সর্বশেষ শাকসু নির্বাচন হয়। পরে আর নির্বাচন না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সেটি অব্যবহৃত। ফলে সেটি জরাজীর্ণ হয়ে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। পরে ক্যাম্পাসের অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়।
শাকসু নির্বাচনের স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী পলাশ বখতিয়ার বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বলা হইছে যে, আমাদের রুমের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রশাসন বলছে, নির্বাচন হইলে তো তোমাদের ভবনের ব্যবস্থা করা হবে।”
সাধারণের ঐক্যস্বর প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মুহয়ী শারদ বলেন, “শাকসুকে কার্যকর করতে হলে প্রথমে একাডেমিক কাঠামোর ভেতরে শাকসু কার্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। আপাতত শাকসুর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কয়েকটি কক্ষ নির্ধারণ করে কার্যালয় চালু করা যেতে পারে। শাকসু যখন একাডেমিক ক্যালেন্ডারের অংশ হয়ে যাবে এবং কাজ নিয়মিতভাবে চলবে, তখন পরবর্তী ধাপে ভবন নির্মাণের বিষয়টি বিবেচনা করা বাস্তবসম্মত হবে।”
শাকসু ভবন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, “শাকসু ভবন নেই, এই বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে, তবে ভবন আদায়ের লক্ষ্যে আলাদা করে কোনো ফরমাল আলোচনা হয়নি।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সাজেদুল করিম বলেন, “শাকসু নির্বাচন হলে আপাতত কোনো একটি ভবনে কার্যালয়ের জন্য কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ইউজিসিতে পাঠানোর একটি ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) প্রস্তুত করা হচ্ছে, যেখানে শাকসু ভবনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বরাদ্দ এলে স্থায়ী শাকসু ভবন নির্মাণ করা হবে।”