Published : 28 Oct 2025, 06:10 PM
শিক্ষকদের গবেষণার জন্য জাতীয় পে-কমিশনের কাছে এক হাজার কোটি টাকার তহবিল চাইছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সঙ্গে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা দিতে আরো এক হাজার কোটি চায় শিক্ষালয়টি।
মঙ্গলবার ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, “গবেষণার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রভাষকদের জন্য ২ লাখ টাকা, সহকারী অধ্যাপকদের জন্য ৩ লাখ টাকা, সহযোগী অধ্যাপকদের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং অধ্যাপকদের জন্য ১০ লাখ টাকা হারে গবেষণা অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
“তবে নির্ধারিত সময়ে প্রকাশনা না হলে গৃহীত অগ্রিম অর্থ ফেরত দিতে হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক মানোন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
“প্রস্তাবিত অনুদান বাস্তবায়িত হলে মেধাবীদের বিশ্ববিদ্যালয়মুখী করা সহজ হবে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে এটি সহায়ক হবে।”
কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “ক্লাসরুমে শিক্ষকতা প্রদানের জন্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে কারিকুলাম ভিত্তিক যুগ-উপযোগী আধুনিক শিক্ষা উপাদান প্রয়োজন হয়। এজন্য শিক্ষার্থীদের স্তর ভিত্তিক পৃথক পৃথক শিক্ষণ উপাদান তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কোর্স ভিত্তিক নতুন সংস্করণের শিক্ষা উপকরণ প্রয়োজন; সর্বশেষ সংস্করণের শিক্ষা উপকরণ ছাড়া কোন শিক্ষকের পক্ষে কোর্স ভিত্তিক উচ্চ-মানের শিক্ষণ উপাদান তৈরি সম্ভবপর নয়।
“এ কারণে শিক্ষা উপকরণ, তথা টেক্সট বুক, গবেষণা বই ইত্যাদি ক্রয়ের জন্য এখাতে মূল বেতনের ১০% শিক্ষা উপকরণ ভাতা হিসেবে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে অধ্যাপক শাফি মো. মোস্তফা উপস্থিত ছিলেন।