Published : 12 Jul 2026, 11:14 PM
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার গুণগত মান ও গবেষণায় ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, "শিক্ষা একটি অলাভজনক খাত, এখানে মুনাফা খোঁজার সুযোগ নেই। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিপুল অভ্যন্তরীণ বকেয়া এবং প্রায় ২৩৫ বিলিয়ন ডলার পাচারের মতো কঠিন পরিস্থিতির পরেও আমরা নীতিগত জায়গা থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
"আগামী বছর থেকে এই ৫ শতাংশ করের টাকা আপনাদের কাছেই থেকে যাবে। তবে এই সাশ্রয় হওয়া অর্থ যেন শিক্ষার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বেঞ্চমার্ক অর্জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেটিং বাড়াতে গবেষণার কাজে ব্যয় করা হয়।"
রোববার মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ আহ্বান জানান বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
ঢাকার একটি হোটেলে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি) এ সভা আয়োজন করে। বাজেট বাস্তবায়নে ক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে এ সভা হয়।
এতে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ ও এপিইউবির চেয়ারম্যান মো. সবুর খানও উপস্থিত ছিলেন।
চলতি অর্থবছরের জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোম্পানি কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে অর্থবিলের সংশোধনীতে এ বিষয়ে প্রস্তাব করা হলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে করহার ছিল ১৫ শতাংশ।
অন্তবর্তী সরকার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বাজেট প্রস্তাবে বর্তমান সরকার তা বহাল রাখে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টদের দাবির প্রেক্ষিতে তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়।
বাজেট পাসের ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর কমানোর প্রস্তাব করে এই কর সুবিধার বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলেন।