ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত অর্থ আছে: এবিবি

সোশাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজবে কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 20 Nov 2022, 10:45 AM
Updated : 20 Nov 2022, 10:45 AM

ডলার সঙ্কটের মধ্যে দেশের ব্যাংকগুলোতে টাকার সঙ্কটের যে কথা ছড়াচ্ছে, তা গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি।

সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, “বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত অর্থ আছে। আমরা সম্মানিত গ্রাহকদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে ব্যাংকগুলোতে তাদের অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।”

সোশাল মিডিয়ায় নানা কথা ছড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করতে রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আসে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেনের, যিনি ব্র্যাক ব্যাংকেরও ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

সোশাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজবে কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বরাত দিয়ে এসব নেতিবাচক খরব দেশ-বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। এই গুজব প্রচারকারীরা আমাদের গ্রাহকদের, সমাজের এবং দেশের ক্ষতি করছে।

“আমরা গ্রাহকদের অনুরোধ করবো, এই গুজবে বিশ্বাস না করার জন্য।”

Also Read: কোনো ব্যাংক বন্ধ হবে না: কেন্দ্রীয় ব্যাংক

দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় কোনো তারল্য সংকট নেই দাবি করে গত ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় বর্তমানে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা অতিরিক্ত আছে।

প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্যাংকগুলোকে তারল্য সরবরাহের কথাও জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

আমানতকারীদের এ বিষয়ে আশ্বস্ত ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা প্রচার করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে নির্দেশনা আসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রতি।

এরপরই রোববার এবিবি’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আসে।

সেলিম হোসেন বলেছেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকও সবাইকে আশ্বস্ত করেছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে তারল্যের কোনো ঘাটতি নেই।

“গত ৫০ বছরে আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো ব্যাংককে ব্যর্থ হতে দিয়েছে, এমন কোনো নজির নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক তো বলেই দিয়েছে, কোনো ব্যাংকের কোন অসুবিধে হলে তারা এগিয়ে আসবে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক