৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
“আইডিএ এর ঋণ ও অনুদানের ৬৬ কোটি ৭১ লাখ ডলার যোগ হয়েছে।”
অর্থনীতির বিশ্লেষক মাসরুর রিয়াজ বলেন, “এখনও বড় ব্যবধান কেন থাকবে? এটা ঠিক করা দরকার। এতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার কাছে বাংলাদেশের ইমেজ নষ্ট হয়।”
২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশ ১৮ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের আমদানির বিপরীতে রপ্তানি করেছে মাত্র ৬৯৪ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।
মে মাসে ৩ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
“আমার কোনো ডিএনএ টেস্ট নেয়নি। অটোমেটিক নিয়ে নিছে। ডলার আমাকে দুই লক্ষ টাকা দিছে। ডলার অনেক ধনী লোক, টাকাওয়ালা," বলেন তিনি।
ঈদের আগ পর্যন্ত রেমিটেন্সের এই উল্লম্ফন অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।
জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ এবং অনুদানের অর্থ ছাড় করেছে ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার।
রেমিটেন্সের ‘উল্লম্ফনে’ বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে, অন্যদিকে আমদানি কমায় চাহিদা তেমন নেই।