রপ্তানি বেড়েছে ৩৭%: পাটের সুদিন ফেরাতে ৫ বছরের পরিকল্পনা
এবার উচ্চাভিলাষি লক্ষ্য নয়; ২০৩১ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় দ্বিগুণ করতে চায় সরকার।
হারানো পাটকে ফেরাতে চায় সরকার; চেষ্টা চলছে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিয়ে বন্ধ পাটকল চালুর। বছর কয়েক ধরেই চলছে এমন চেষ্টা। আশা জাগাচ্ছে পাট পণ্য রপ্তানির আয়ের সাম্প্রতিক তথ্যও।
বিদেশে পাটপণ্য বিক্রি বাড়তে থাকার গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতা চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেও বজায় থাকায় তা এ খাতের পুরনো সম্ভাবনাকে আবারও উজ্জ্বল করেছে।
সবশেষ দুই মাসের রপ্তানি আয়ের তথ্য বলছে, বৈশ্বিক বাজারে পাটের তৈরি গৃহসজ্জার পণ্যের চাহিদার পাশাপাশি পাটের তৈরি শপিং ব্যাগ, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, গার্ডেনিং বা বাগান, অটোমোবাইল ও প্যাকেজিংয়ে পাটপণ্যের চাহিদাও বাড়ছে। এছাড়া পাটকাঠির তৈরি চারকোলের চাহিদাও রয়েছে চীনসহ বিভিন্ন দেশে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সবশেষ দুই মাসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-অগাস্ট সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে ১৬ কোটি ২৫ লাখ ডলার আয় এসেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এ দুই মাসে রপ্তানির অঙ্ক ছিল ১১ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।
সবশেষ দুই মাসে কাঁচাপাটের রপ্তানি ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। পাটের সুতা রপ্তানি বেড়েছে ৫৮ শতাংশ। অন্যান্য পাটপণ্য রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৪৮ দশমিক ১৫ শতাংশ। তবে এসময়ে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি থেকে আয় ১৩ শতাংশ কমেছে।
আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই প্রথম দুই মাসে বেড়েছে পাটপণ্য রপ্তানি আয়। গত অর্থবছরে মোট বেড়েছিল ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ; আয় এসেছিল ৮৮ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৮২ কোটি আট লাখ ডলার, যা ছিল এক যুগের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে আয় হয়েছিল ৮২ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।
নতুন করে পাটের সম্ভাবনা জেগে ওঠার হাতছানির এমন দেখা প্রায়ই মেলে। তবে নানা কারণে সেটি আর আলোর মুখ দেখে না। ছয় বছর আগের তথ্য উপাত্তও তেমনটা ইঙ্গিত দিচ্ছিল।
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০২০-২১ আর্থিক বছরে ১১৬ কোটি ১৫ লাখ ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছিল; রপ্তানি তালিকায় চামড়াকে পেছনে ফেলে উঠে এসেছিল দ্বিতীয় স্থানে। আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বেড়েছিল ৩১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মোট রপ্তানিতে পাট খাতের অবদান ৩ শতাংশে উঠেছিল।
সেই চাঙ্গাভাব আর থাকেনি। পরের টানা পাঁচ বছর কমে ২০২৪-২৫ আর্থবছরে ৮২ কোটি ডলারে নেমে আসে আয়; দ্বিতীয় স্থান হারিয়ে চতুর্থ স্থানে নামে। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কিছুটা বাড়ার পরও সেই চতুর্থ স্থানেই রয়েছে। সবার শীর্ষে যথারীতি তৈরি পোশাক। এর পর যথাক্রমে চামড়া, হোম টেক্সটাইল ও পাট।
পাটপণ্য রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বন্যার কারণে গত বছর পাট উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সে কারণে কাঁচা পাটের দাম বেড়ে যায়। উচ্চ মূল্যের কারণেই অর্থের হিসাবে পাটপণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। তবে পরিমাণের দিক থেকে রপ্তানি বাড়েনি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে পাট পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। সে বিবেচনায় শুধু দাম নয়, পরিমাণের দিক থেকেও রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে এ জন্য কাঁচা পাটের সরবরাহব্যবস্থা ঠিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন রপ্তানিকারকরা।
একই সঙ্গে গবেষণা ও পণ্যের মান উন্নয়নের পাশাপাশি যৌথভাবে হলেও এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে বলে মনে করেন তারা।
বিশ্বে পাট উৎপাদনে বাংলাদেশ দ্বিতীয়। বছরে দেশে ৯০ লাখ বেল পাট উৎপাদিত হয়। পাটপণ্যের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে এ খাতে রপ্তানি আয় পাঁচ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) এক প্রতিবেদনে বলা হয়।
নতুন সরকার পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনাও নিচ্ছে। এবার উচ্চাভিলাষি লক্ষ্য নয়; ২০৩১ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় দ্বিগুণ করতে চায় সরকার। পাশাপাশি পাটবীজে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং উচ্চমূল্যের পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো এর মূল লক্ষ্য।
পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ কথা ঠিক যে, পাটের সেই সুদিন ফিরিয়ে আনতে পারব না। তবে যে পথ হারিয়ে ফেলেছি, সেই পথ খুঁজে বের করে একটু ভালোভাবে হাঁটার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
“পাঁচ বছরের মধ্যে পাট খাত থেকে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলার আয়ের লক্ষ্য আমাদের।”
কোন পাটপণ্য থেকে কত আয়
ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে কাঁচা পাটের পাশাপাশি পাটের সুতা, বস্তা ও বহুমুখী পাটপণ্য রপ্তানি হয়। এসব পণ্য তুরস্ক, চীন, ভারত, মিসর, উজবেকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), জর্ডান, পাকিস্তান, রাশিয়া ও ইরানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়ে থাকে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাটের সুতা রপ্তানি থেকে আয় ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ বেড়ে ৫৪ কোটি ৫৮ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যদিও পরিমাণের দিক থেকে পাটের সুতার রপ্তানি কমেছে ২ শতাংশ। গত অর্থবছরে ৪ লাখ ২৮ হাজার টন পাটের সুতা রপ্তানি হয়। তার আগের অর্থবছর রপ্তানি হয়েছিল ৪ লাখ ৩৮ হাজার টন।
অন্যদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি ৫ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ বেড়ে ১৩ কোটি ২৩ লাখ ডলার হয়েছে।
তবে কাঁচা পাটের রপ্তানি ১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ১৩ কোটি ১২ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে কাঁচা পাটের রপ্তানি কমেছে প্রায় ৭৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে ৩৮ হাজার টন কাঁচা পাট রপ্তানি হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ১ লাখ ৬৭ হাজার টন।
এছাড়া পাট দিয়ে তৈরি অন্যান্য পণ্য (বহুমুখী পাটপণ্য) ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ কমে ৭ কোটি ৪৪ ডলারে নেমেছে।
কী বলছেন উদ্যোক্তারা
পাট নিয়ে অনেক আশা-হতাশার বিষয় থাকলেও রপ্তানিকারকরা এখনও আশাবাদী।
পাটকল উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএসএ) সভাপতি তাপস প্রামাণিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বছরের পর পর পাট নিয়ে আমরা আশাবাদের কথা শুনছি। কিন্তু কিছুই তো হচ্ছে না। স্বাধীনতার পর মোট রপ্তানির ৯০ শতাংশের বেশি বিদেশি মুদ্রা আসত যে খাত থেকে; সেই খাত পথ হারিয়ে ফেলল। আমরা সবাই চেয়ে চেয়ে দেখলাম; পরে রইলাম সবাই তৈরি পোশাক নিয়ে।”
‘৩৫টা সরকারি জুট মিল বন্ধ হয়ে গেল’-এমন হতাশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এতে কী লাভ হলো, জানি না। এখন ইজারা দিয়ে মিলগুলো চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাতেও কী লাভ হবে জানি না।”
পাটপণ্যের রপ্তানি অনায়াসে দুই-তিন বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “তার জন্য কাঁচামালের সরবরাহব্যবস্থা মসৃণ করতে হবে। সেই সঙ্গে নতুন বাজারে রপ্তানির জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে।
“২০২০-২১ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে প্রায় সোয়া বিলিয়ন ডলার আয় হওয়ায় আমরা আশায় বুক বেঁধেছিলাম এই ভেবে যে সোনালি আঁশ পাটের সুদিন হয়ত ফিরে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, সে আশায় গুঁড়ে বালি।”
গত অর্থবছরে ডলারের হিসাবে রপ্তানি সামান্য যেটা বেড়েছে, সেটা কিন্তু পণ্যের দাম বাড়ার কারণে বেড়েছে বলে যোগ করেন তিনি।
বিশ্বজুড়ে পাটজাত পণ্য, বিশেষ করে বহুমুখী পাটপণ্যের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা থাকলেও সেই রপ্তানি কম বাংলাদেশের।
উদ্যোক্তারা বলছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বহুমুখী পাটপণ্যের বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ক্রয়াদেশ কমেছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। মূলত জ্বালানির উচ্চ মূল্যের কারণে নিত্যপণ্যের বাইরে অন্যান্য পণ্যের বিক্রি কমে গেছে। তাছাড়া কাঁচা পাটের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনে ব্যয় বেড়েছে। সে জন্যও ক্রয়াদেশ কিছুটা কমেছে।
বৈশ্বিক বাজারে পাটের তৈরি গৃহসজ্জার পণ্যের চাহিদার পাশাপাশি পাটের তৈরি শপিং ব্যাগ, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, গার্ডেনিং বা বাগান, অটোমোবাইল ও প্যাকেজিংয়ে পাটপণ্যের চাহিদাও বাড়ছে। এছাড়া পাটকাঠির তৈরি চারকোলের চাহিদাও রয়েছে চীনসহ বিভিন্ন দেশে।
বহুমুখী পাটপণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল করিম বলেন, “পাটের সুতা ও বস্তায় প্রতি টনে খুবই কম মুনাফা করেন আমাদের ব্যবসায়ীরা। ফলে কাঁচা পাটের দাম বেড়ে গেলে মুনাফা ধরে রাখতে হিমশিম খান তারা। পাট খাতের রপ্তানি বাড়াতে হলে বহুমুখী পণ্য উৎপাদন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে চীন, ভারতের মতো কয়েকটি দেশ এগিয়ে গেছে।
“তাই বহুমুখী পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে হলে নতুন নতুন পণ্য উন্নয়নে গবেষণার পাশাপাশি এই খাতে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে আসতে হবে। তাহলে দেশীয় উদ্যোক্তারা নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে পারবেন।”
৫ বছরের পরিকল্পনা কী?
ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় প্রায় ২৯ শতাংশ কমে গেছে। খাতটিকে আবার দাঁড় করাতে পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। ২০৩১ সালের মধ্যে রপ্তানি আয় দ্বিগুণ, পাটবীজে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং উচ্চমূল্যের পাটপণ্যের উৎপাদন বাড়ানো এর মূল লক্ষ্য। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বিনিয়োগের দরকার পড়বে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।
সরকারের নির্দেশনায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন পাট অধিদপ্তর ‘বাংলাদেশ পাট খাত উন্নয়ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-৩১)’ শীর্ষক একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করেছিল। সেই খসড়া নিয়ে গত ৪ আগস্ট রাজধানীর মতিঝিলে অধিদপ্তরের কার্যালয়ে অংশীজনদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের সবার মতামত নিয়ে খসড়াটি পরে চূড়ান্ত করা হয়।
চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বর্তমানে বার্ষিক ৮২ কোটি ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি ২০৩১ সালের মধ্যে ১৬৪ কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে কাঁচা পাটের উৎপাদন ১১৫ থেকে ১২০ লাখ বেলে উন্নীত করা, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ পাটবীজের চাহিদা পূরণ এবং মূল্য সংযোজিত পণ্যের অংশ ৪৫ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে দেশে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত পরীক্ষাগার স্থাপন এবং পাট খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।
পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পাট খাত নিয়ে আশাবাদী। হয়ত হারানো সুদিন পুরোপুরি ফিরিয়ে আনা যাবে না। তবে পাঁচ বছরে পাট খাত থেকে রপ্তানি যদি ২ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে বড় সাফল্য হবে বলে মনে করি।”
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তুলে ধরেন তিনি।
