ওষুধ রপ্তানিতে ‘নীরব বিপ্লব’: প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ৪০ শতাংশের বেশি
১৬ বছরে ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ গুণ। কিন্তু ওষুধ তৈরির মূল কাঁচামাল এপিআইয়ের বড় অংশই এখনো আমদানি করতে হয়।
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের কথা উঠলেই সবার আগে আসে তৈরি পোশাকের নাম। মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি আসে এ খাত থেকে। এরপর পাট, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত চিংড়ি কিংবা চামড়াজাত পণ্যের কথা আসে। তবে এসবের বাইরে নীরবে-নিভৃতে অনেক দূর এগিয়ে গেছে ওষুধশিল্প।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, ২০১০-১১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪ কোটি ৪২ লাখ ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছিল। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলারে।
অর্থাৎ ১৬ বছরে ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ গুণ। আর চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের হিসাব বলছে, এ প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে বাংলাদেশ ৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৫ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ডলারের ওষুধ।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে। এই মাসে প্রায় ৩ কোটি ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে রপ্তানি হয়েছিল ১ কোটি ৮১ লাখ ডলারের।
অগাস্টে রপ্তানি হয়েছিল ২ কোটি ৪২ লাখ ডলারের ওষুধ। ফলে অগাস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ।
২৫ কোটি ডলারের দোরগোড়ায়
ওষুধ রপ্তানিতে আগের অর্থবছরেও রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছিল ২১ কোটি ৩২ লাখ ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ২৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি প্রায় ১২ শতাংশ।
এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রথমবারের মত ওষুধ রপ্তানি ২০ কোটি ডলারের সীমা ছাড়ায়। ওই বছর রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ২০ কোটি ৫৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি আয় অবশ্য আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কমে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলারে নেমেছিল। তবে পরের বছরই আবার ঘুরে দাঁড়ায় এ খাত।
ইপিবির পরিসংখ্যানে প্রবৃদ্ধির চিত্র স্পষ্ট। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ওষুধ রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ১৩ কোটি ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা বেড়ে হয় ১৩ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।
২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ কোটি ৯০ লাখ ২০ হাজার ডলারে। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে হয় ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
এরপর একবার কমলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে আবার ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে ওষুধ রপ্তানি।
রপ্তানিকারকদের আশাবাদ
নতুন অর্থবছরের শুরুতে রপ্তানি বৃদ্ধিতে খুশি ওষুধশিল্পের উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মুক্তাদির বলেন, “নতুন অর্থবছর বেশ ভালোভাবেই শুরু করেছি; খুবই খুশি আমরা। আশা করছি এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”
তার ভাষ্য, আগামী অর্থবছরের মধ্যে ওষুধ রপ্তানি থেকে আয় ৫০ কোটি ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।
মুক্তাদির বলেন, অনেক দেশে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা না থাকায় বাংলাদেশ ভালো মানের কম দামের জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনের একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
তবে তার ভাষায়, “আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে কাঁচামাল।”
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের জন্য যে এপিআই (অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট, ওষুধের মূল সক্রিয় উপাদান) পার্ক তৈরি করা হচ্ছে, সেটি পুরোদমে চালু হলে এ সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে বলে আশা করছেন তিনি।
ওষুধ তৈরি হয় দেশে, কাঁচামাল আসে বিদেশ থেকে
দেশে ব্যবহৃত ওষুধের প্রায় ৯৮ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। কিন্তু ওষুধ তৈরির মূল কাঁচামাল এপিআইয়ের বড় অংশই আমদানি করতে হয়। শিল্পসংশ্লিষ্টদের হিসাবে, প্রায় ৯০ শতাংশ এপিআই এখনও বিদেশ থেকে আসে।
গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালস ১৯৮৮ সালে দেশে প্রথম এপিআই তৈরি শুরু করে। তাদের প্রথম এপিআই ছিল অ্যান্টিবায়োটিক এমোক্সিসিলিন। এরপর গণস্বাস্থ্য আরও দুটি এপিআই তৈরি করে।
এরপর থেকে অগ্রগতি তেমন হয়নি। দেশের ছোট ও বড় ওষুধ কোম্পানিগুলো একটি বা দুটি করে এপিআই তৈরি করছে। তবে যে ধরনের নীতি সহায়তা ও আর্থিক প্রণোদনা দরকার, তা ওষুধ কোম্পানিগুলো পায়নি।
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের কাঁচামালের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে চীন ও ভারত। এই আমদানিনির্ভরতা শুধু বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি করে না; আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন হলে দেশের ওষুধ উৎপাদনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
২০২৬ সালের মার্চে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও ওষুধের কাঁচামালের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার জন্য শিল্পসংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিল। এ কারণে এপিআই উৎপাদন বাড়ানোকে এখন ওষুধশিল্পের পরবর্তী বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেড় দশকেও পুরোপুরি চালু হয়নি এপিআই পার্ক
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় এপিআই শিল্পের জন্য শিল্পপার্ক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল প্রায় দেড় দশক আগে।
কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পার্কটি প্রত্যাশিত গতিতে চালু হয়নি। মূলধারার ওষুধশিল্পের সঙ্গে তুলনায় দেশে এপিআই উৎপাদনের সক্ষমতা এখনও সীমিত।
এপিআই উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ এপিআই অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়েটস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএআইএমএ) বলছে, গত আট বছরে স্থানীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো ৪০টির বেশি এপিআই তৈরি করেছে।
কোনো কোনো কোম্পানি নিজে এপিআই তৈরি করে নিজের ওষুধ কোম্পানিতে তা কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে। কোনো কোনো কোম্পানি এপিআই তৈরি করে দেশের মধ্যে অন্য কোম্পানির কাছে বিক্রি করে।
দেশি কোম্পানিগুলো আর্থিক নিরাপত্তা ও প্রণোদনা পেলে দেশের প্রয়োজনের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ এপিআই দেশেই তৈরি সম্ভব বলে সংগঠনটির ভাষ্য।
বিএআইএমএর সভাপতি এস এম সাইফুর রহমান বলেন, “রপ্তানি বাড়ছে; এখন আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে।”
তার মতে, ভারত, চীন ও সিঙ্গাপুরের মত দেশগুলো এ শিল্পকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিয়েছে। বাংলাদেশেরও একই ধরনের নীতি সহায়তা প্রয়োজন।
এপিআই উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নমুনা পরীক্ষা ও অনুমোদন প্রক্রিয়াও সহজ করার ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি।
সাইফুর রহমান বলেন, “নতুন সরকারের কাছে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আশা করছি, সরকার এই বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।”
এপিআই শিল্পের জন্য ভারতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি আছে জানিয়ে দেশে একটি টাস্কফোর্স বা কমিশন গঠন করার প্রস্তাব করেন তিনি।
বিশ্ববাজারে সুযোগ
বাংলাদেশে ওষুধ খাতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তির আছে। এ খাতে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় দুই লাখ ও পরোক্ষভাবে আরও তিন লাখ মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গত ১৬ বছরে স্থানীয় বাজার বেড়েছে তিনগুণ। ২০১০ সালে এই বাজার ছিল নয় হাজার কোটি টাকার। এখন তা ৩০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। জেনেরিক ওষুধের বৈশ্বিক বাজার প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলারের।
বাংলাদেশের ওষুধ এখন বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। বড় বাজারগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশ রয়েছে।
ইপিবির সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের ওষুধ রপ্তানি করেছে এবং ১৩০টির বেশি দেশে এসব পণ্য গেছে।
তবে মোট পণ্য রপ্তানির তুলনায় ওষুধের অংশ এখনও ছোট। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট পণ্য রপ্তানি ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার; সেখানে ওষুধের অংশ ছিল শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের মত।
অর্থাৎ সম্ভাবনা থাকলেও বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের অংশ এখনও সীমিত।
ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি আবদুল মুক্তাদির বলেন, “বিশ্ববাজারের এক শতাংশও যদি আমরা রপ্তানি করতে পারি তাহলে আমাদের রপ্তানি ৪০০ কোটি ডলার বাড়িয়ে দিতে পারে। চীন, ভারত ও পশ্চিমের কয়েকটি দেশ ছাড়া ওষুধ উৎপাদনে বাংলাদেশের সমকক্ষ কেউ নেই। ফলে বৈশ্বিক ওষুধের বাজারে আমাদের ব্যাপক প্রবৃদ্ধির সুযোগ আছে।”
তার ভাষ্য, স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রেও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের মত দেশগুলোর তুলনায় এগিয়ে বাংলাদেশ। তুলনামূলক সমৃদ্ধ এসব দেশ তাদের জাতীয় চাহিদার ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ মেটাতে আমদানির ওপর নির্ভর করে।
মুক্তাদির মনে করছেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাকশিল্পে যে সাফল্য দেখিয়েছে, ওষুধের কাঁচামালের ক্ষেত্রেও সেই সাফল্য দেখানোর সামর্থ্য রাখে। বাংলাদেশ এখন যে কোনো ‘মলিকিউল’ তৈরি করতে পারে। তৈরি পোশাকশিল্পে বাংলাদেশের প্রতিযোগী ৩০ থেকে ৩৫টি দেশ। ওষুধ বা ওষুধের কাঁচামালের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী শুধু চীন ও ভারতের মতো দু-তিনটি দেশ।
“রপ্তানি বাড়াতে আমাদের ওষুধ কোম্পানিগুলো সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এখন রপ্তানি বাড়তেই থাকবে। আমরা আশাবাদী- সরকারি সহায়তা পেলে, স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল উৎপাদন বাড়াতে পারলে এই খাত থেকে আরও বেশি বিদেশি মুদ্রা দেশে আসবে।”
সামনে বড় পরিবর্তনের সময়
বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহৎ উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।
ঔষধ শিল্প সমিতির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি দ্রুত বাড়ছে। গত দুই বছরে ১ হাজার ২০০টি ওষুধপণ্য রপ্তানির জন্য নিবন্ধন পেয়েছে। বর্তমানে সেগুলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানিসহ ১৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।
ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত অর্থবছরে মোট রপ্তানির প্রায় অর্ধেকই রপ্তানি করেছে তিনটি কোম্পানি—বেক্সিমকো, স্কয়ার ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস। এর মধ্যে সবচেয়ে রপ্তানি করেছে বেক্সিমকো ফার্মা। দ্বিতীয় ইনসেপ্টা ও তৃতীয় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।
রপ্তানির দিক থেকে শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হল—রেনাটা, একমি, অ্যারিস্টোফার্মা, এসকেএফ, জেনারেল, বিকন ও ওরিয়ন ফার্মা।
ওষুধ রপ্তানি বাড়লেও শিল্পটির সামনে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কাঁচামালের আমদানিনির্ভরতা ছাড়াও আরেকটি বড় বিষয় হল বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি।
কথা ছিল বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে বেরিয়ে যাবে। সরকার প্রস্তুতির সময় আরও তিন বছর বাড়ানোর আবেদন করেছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এলডিসি থেকে উত্তরণের সঙ্গে ওষুধশিল্পের মেধাস্বত্ব ও বাণিজ্যসুবিধার মত বিষয় জড়িত। ফলে এই সময়ের মধ্যে স্থানীয় কাঁচামাল উৎপাদন বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়টি ওষুধ শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের চিফ অপারেটিং অফিসার রাব্বুর রেজা বলেন, “ওষুধ খাতের রপ্তানি বাজার খুবই উজ্জ্বল বলে আমি মনে করি।”
তার ভাষ্য, গত অর্থবছরে তাদের কাছে প্রচুর ওষুধের অর্ডার ছিল, কিন্তু দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে গিয়ে সব অর্ডার সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি।
রাব্বুর রেজা বলেন, “আমাদের এই খাত এখন এমন শক্ত অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যে, বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি আমাদের এ খাতে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসবে।”
