২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
“দেশের মোট রপ্তানি আয় ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হলেও পাট খাতের অবদান প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।”
“পণ্যের টেকসই মান সংরক্ষণ, নিত্যনতুন ডিজাইন ও ব্যবহার উপযোগিতাকে অগ্রাধিকার নিতে হবে। এই খাতে দক্ষ জনবল সৃষ্টি ও পাটপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে।”
পাটপণ্যের প্রতি মানুষের উৎসাহ এবং আগ্রহ তৈরি করতে মেলার আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে। মঙ্গলবার তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেছেন ঢাকা জেলার প্রশাসক তানভীর আহমেদ।
ঢাকার তেজগাঁওয়ের মনিপুরী পাড়ায় ‘জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারে’ (জেডিপিসি) বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে বহুমুখী পাটপণ্য মেলা, যা চলবে পাঁচ দিন।
“ভারতে পাটের ফেব্রিক হয় ২০০ ধরনের বেশি। অথচ আমাদের পাট দিয়ে মাত্র তিন ক্যাটাগরিতে তৈরি করা ১০ রকমের ফেব্রিক বাজারে পাওয়া যায়।”
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে মেলা।
এসএমই মেলা: ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য বিশাল এক আয়োজন।