কর্মসূচির সহযোগিতায় প্রায় ৫০ হাজার সুবিধাবঞ্চিত নারী জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করে নিজ সম্প্রদায়ে ভূমিকা রেখেছে।
Published : 17 Jun 2023, 08:55 PM
নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কমিউনিটি এনগেজমেন্ট প্রোগ্রাম ‘ফিউচার মেকারস’ এর অধীন গোল প্রোগ্রামের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ।
এ যাত্রায় গোল প্রোগ্রামের সহযোগিতায় প্রায় ৫০ হাজার সুবিধাবঞ্চিত নারী জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করে নিজ সম্প্রদায়ের কল্যাণে ভূমিকা রেখেছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড।
২০১৩ সালে ব্র্যাকের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে গোল প্রোগ্রাম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিবার ও সম্প্রদায়কে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে জ্ঞান, দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস অর্জনে কিশোরীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে গোল প্রোগ্রাম। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত গোল প্রোগ্রাম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতপ্রাপ্ত একটি গ্লোবাল মুভমেন্ট, যা ২০টিরও বেশি দেশে কাজ করছে।
এর আওতায় আর্থিক শিক্ষা, যোগাযোগ দক্ষতা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা, আত্মবিশ্বাস, কর্মসংস্থান এবং সাইবার নিরাপত্তার মডিউল প্রদান করা হয়। এর উদ্দেশ্য নারীরা নিজেদের পাশাপাশি পরিবার এবং বন্ধুদের জীবন পরিবর্তনে সহায়তা করতে পারে৷ প্রোগ্রামটির লক্ষ্য ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ ১০ লাখ কিশোরীদের নিকট পৌঁছানো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বি ইওরসেল্ফ’ এবং ‘বি এম্পাওয়ার্ড’ মডিউলের মতো সেশনগুলো নারীদের তাদের অধিকার সম্পর্কে জানতে, যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে এবং সাম্প্রদায়িক সক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।
প্রোগ্রামের ‘বি মানি স্যাভি’ মডিউলের মাধ্যমে নারীরা নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলে এবং আর্থিক বিষয়ের ভালো বা মন্দ সম্পর্কে মনোযোগী হয়। প্রোগ্রামের ‘বি হেলদি’ মডিউলের সেশনগুলো দেশব্যাপী নারীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বুঝতে এবং যত্ন নিতে সাহায্য করে।
এ প্রসঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, ব্র্যান্ড আন্ড মার্কেটিং বিটপী দাশ চৌধুরী বলেন, “গত ১০ বছরে দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি প্রমাণ করে নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক সুযোগ শুধু তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত নয়, তাদের পরিবারের ও সমাজের কল্যাণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সার্বিক উন্নতির পথে নিয়ে যায়। গোল প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হল সুবিধাবঞ্চিত নারীদের নিকট সাহায্য পৌঁছানো, খেলাধুলাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতামূলক শিক্ষা প্রদান, সাম্প্রদায়িক ও জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণে সক্ষম করে তোলা।”