কমতে পারে রূপচর্চার খরচ
লিপস্টিক, ত্বকের ক্রিম, ময়েশ্চার লোশন, ফেসওয়াশসহ সাত শ্রেণির পণ্যে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে।
প্রসাধনী পণ্যের স্থানীয় উৎপাদনকারীদের উৎসাহ দিতে এই শিল্পের দুটি কাঁচামাল আমদানির শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এর ফলে রূপচর্চার দেশীয় পণ্যগুলোর দাম কমতে পারে।
লিপস্টিক, ত্বকের ক্রিম, ময়েশ্চার লোশন, ফেসওয়াশসহ সাত শ্রেণির পণ্যে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে।
এর ফলে আমদানি করা এসব পণ্যগুলোতেও গ্রাহকপর্যায়ে কিছুটা ছাড় মিলতে পারে।
বৃহস্পতিবার নতুন অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রস্তাবিত বাজেটে লিপস্টিকের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য প্রতি কেজি ৪০ ডলার থেকে কমিয়ে ৩০ ডলার করা হয়েছে। এতে কেজি প্রতি প্রায় ২ হাজার টাকা শুল্ক ও কর কমতে পারে।
ত্বকের ক্রিমের ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ২০ ডলার থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ১৪ ডলার। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ১ হাজার ২২৬ টাকা শুল্ক ও কর কমতে পারে।
ময়েশ্চার লোশন ও চার ধরনের ফেসওয়াশের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য ১০ ডলার থেকে কমিয়ে ৭ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে কেজিপ্রতি প্রায় ৬১৩ টাকা শুল্ক ও কর কমতে পারে।
তবে ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য কমানো হলেও সব চালান ওই মূল্যে শুল্কায়ন হবে না। পণ্যের মান, ব্র্যান্ড ও ঘোষিত মূল্যের ভিত্তিতে এর চেয়ে বেশি মূল্যে শুল্কায়ন হতে পারে।
লিপস্টিক, ফেসওয়াশ, ত্বকের ক্রিম ও ময়েশ্চার লোশনে শুল্কায়ন মূল্য কমানো হলেও ভ্রু সাজানোর পণ্য এবং হাত-পায়ের সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহৃত কয়েকটি পণ্যে শুল্ক আগের হারই বহাল রাখা হয়েছে। ফলে এ খাতের আমদানিকারকরা নতুন কোনো সুবিধা পাবেন না।
অন্যদিকে লিপ লাইনার, লিপ গ্লস ও লিপ জেল জাতীয় পণ্যে ন্যুনতম শুল্কায়ন মূল্য কেজি প্রতি ২০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩০ ডলার করা হয়েছে।
