Published : 26 May 2026, 08:52 PM
ঈদুল আজহা সামনে রেখে তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত চালু থাকা ৯৯ শতাংশের বেশি কারখানা শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করেছে বলে তথ্য দিয়েছে সংগঠনটি।
এর মধ্যে অধিকাংশ কারখানায় মে মাসের বেতনও অগ্রিম দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মিলে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত মোট কারখানার সংখ্যা সাড়ে চার হাজার হলেও চালু রয়েছে মোট ২১৩৪টি। এর মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ১৭৯৪টি ও চট্টগ্রামে ৩৪০টি।
বিজিএমইএ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ২৬ মে পর্যন্ত চালু থাকা ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২ হাজার ১২৮টি কারখানা এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ করেছে, যা মোট কারখানার ৯৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।
এছাড়া ঈদ বোনাস পরিশোধ করেছে দুই হাজার ১২৫টি কারখানা। অর্থাৎ, প্রায় ৯৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ কারখানায় শ্রমিকরা বোনাস পেয়েছেন।
এর মধ্যে ঢাকায় বোনাস হয়েছে ১ হাজার ৭৯০টি ও চট্টগ্রামে ৩৩৫টি কারখানায়।
মে মাসের অগ্রিম বেতন দিয়েছে দুই হাজার ২৩টি কারখানা, যা মোট কারখানার প্রায় ৯৫ শতাংশ।
বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত যে ছয়টি কারখানা এপ্রিল মাসের বেতন পরিশোধ করেনি তাদের মধ্যে ঢাকায় আছে চারটি ও চট্টগ্রামে দুটি। এই কারখানাগুলোও বেতন পরিশোধের প্রক্রিয়ায় আছে।
অন্যদিকে বোনাস না দেওয়া ৯টি কারখানার মধ্যে ঢাকায় আছে ৪টি ও চট্গ্রামে ৫টি।
মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর ত্রিপদ্রি এলাকায় বেতন-বোনাসের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে এবং টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে সরিয়ে দেয়।
‘চৈতি গার্মেন্টস’ নামে ওই পোশাক কারখানার মালিক সরকার দলীয় একজন সংসদ সদস্য।