Published : 08 Apr 2026, 03:49 PM
দেশের সব এলপিজি ব্যবসায়ীকে সরকারনির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অনুরোধ জানিয়েছে এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
সংগঠনের সভাপতি আমিরুল হক বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গত ৭ এপ্রিল পাঠানো পত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্রাহক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এলপিজি বোতলজাতকারী প্রতিষ্ঠান হতে সরকার নির্ধারিত মূল্যেই সিলিন্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকদের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান এবং কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এ মুহূর্তে জনদুর্ভোগ কমানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
“এ পরিস্থিতিতে এলপিজি ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রির জন্য সংগঠনের তরফে অনুরোধ জানাচ্ছি।”
সবশেষ দেশের বাজারে ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম বাড়ে গত ২ এপ্রিল। সেদিন প্রতি কেজি এলপিজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা দাম বাড়ানো হয়। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা।
বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। সবশেষ বর্ধিত মূল্য অনুযায়ী, বাজারে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।