০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

‘সৃজনশীল’ অর্থনীতির জাতীয় রূপরেখা তৈরিতে ব্র্যাক ও ইউনেস্কোর সমঝোতা

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্পের বিকাশ, মানুষের আয় ও জীবিকার নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও তা আরও বিস্তৃত পরিসরে তুলে ধরতে চায় ব্র্যাক ও ইউনেস্কো।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 05 Nov 2026, 10:09 PM

Updated : 05 Nov 2026, 10:09 PM

বাংলাদেশের ‘সৃজনশীল অর্থনীতির’ বিকাশে একসঙ্গে কাজ করতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে ব্র্যাক ও জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

এই অংশীদারত্ব দেশের সৃজনশীল শিল্পের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং এ খাতের উন্নয়নে একটি জাতীয় রূপরেখা প্রণয়নে সহায়তা করবে বলে ব্র‍্যাকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারকে সই করেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ এবং ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান সুসান ভাইজ।

আসিফ সালেহ বলেন, “বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য যেমন, আমাদের সমৃদ্ধ কারুশিল্প, সংগীত, চলচ্চিত্র এবং আবহমান ঐতিহ্যও তেমন এক অমূল্য অর্থনৈতিক সম্পদ, যার অপার সম্ভাবনাকে আমরা মাত্র কাজে লাগাতে শুরু করেছি।

“ইউনেস্কোর সঙ্গে এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হল সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, গবেষণালব্ধ প্রমাণ ও ধারণা একত্রিত করে সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য একটি জাতীয় কৌশল ও রোডম্যাপ প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করা।”

এই উদ্যোগ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি সৃজনশীল খাতে অনানুষ্ঠানিকভাবে কর্মরত বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকার সুযোগও বাড়াবে বলে তিনি মনে করেন।

সুসান ভাইজ বলেন, “বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে কারুশিল্পী, নৃত্যশিল্পী ও রন্ধনশিল্পীসহ সাধারণ বাংলাদেশিদের জীবনমান উন্নয়ন করা সম্ভব।

“এই অংশীদারত্ব দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পথ চিহ্নিত করতে সহায়তা করবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি, কমিউনিকেশনস অ্যান্ড এনগেজমেন্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক কে এ এম মোর্শেদ, চিফ পিপল অ্যান্ড কালচার অফিসার মৌটুসী কবির এবং ইউনেস্কোর ঢাকা কার্যালয়ের হেড অব কালচার কিযী তাহনিন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্পের বিকাশ, মানুষের আয় ও জীবিকার নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও তা আরও বিস্তৃত পরিসরে তুলে ধরতে চায় ব্র্যাক ও ইউনেস্কো।