ই-রিকশা নিবন্ধনে লাগবে বুয়েটের ছাড়পত্র
“আবেদনকারীদের নির্ধারিত শর্ত পূরণ ও বুয়েটের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে,” বলেন ডিএসসিসির প্রশাসক।
ই-রিকশা নিবন্ধনের আগে নীতিমালা অনুযায়ী বাহনটি প্রস্তুত করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদন বা ছাড়পত্র নিতে হবে বলে ঢাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) জানিয়েছে।
মঙ্গলবার ডিএসসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ এর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বুয়েটের ছাড়পত্র নিয়ে আবেদন জমা দিলেই নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে নগর সংস্থাটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, “মঙ্গলবার থেকে ই-রিকশার নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে স্পষ্ট করে বলতে চাই- এই ফরম কিন্তু কোনো চলাচলের অনুমতিপত্র নয়, এটি কেবল নিবন্ধনের জন্য আবেদনপত্র।
“আবেদনকারীদের অবশ্যই নির্ধারিত শর্ত পূরণ ও বুয়েটের ক্লিয়ারেন্স (ছাড়পত্র) নিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পর্যায়ক্রমে ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে।”
ই-রিকশার সংখ্যা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকাকে মোট চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর সিটি করপোরেশন ও পুলিশের যৌথ সভায় জোন নির্ধারণ এবং অঞ্চলভিত্তিক ই-রিকশার সম্ভাব্য সংখ্যা চূড়ান্ত করা হবে বলে প্রশাসক জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ই-রিকশা ব্যবস্থাপনাকে কাঠামোর মধ্যে আনতে নির্ধারিত মডেলের রিকশা তৈরি ও মেরামতের জন্য নির্দিষ্ট ওয়ার্কশপ ঠিক করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবহার বন্ধে ওয়ার্ড বা থানা পর্যায়ে নির্দিষ্ট চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাটারির সব রিকশা একবারে বন্ধ করা সম্ভব নয় মন্তব্য করে আবদুস সালাম বলেন, “সবকিছু হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ার চেয়ে আমরা ধাপে ধাপে এগুলোকে নিয়ম ও নিবন্ধনের আওতায় আনতে চাই। প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার, ২ হাজার কিংবা ৫ হাজার- যে কয়টি ই-রিকশা শর্ত পূরণ করবে, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়া হবে।” নিবন্ধনের জন্য ১০০ টাকা মূল্যের আবেদন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নগর ভবন এবং ডিএসসিসির সব আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন।
