নাইকো মামলা: খালেদার বিপক্ষে সাক্ষ্য দেবেন এফবিআই ও কানাডার পুলিশ কর্মকর্তা

আগামী ১৯ অক্টোবর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন রেখেছেন বিচারক।

আদালত প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 27 Jan 2024, 11:41 AM
Updated : 27 Jan 2024, 11:41 AM

দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের একজন ও কানাডার রয়্যাল মাউন্টেড পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে সাক্ষ্য দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

রোববার ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালেতর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ আদেশ দিয়ে আগামী ১৯ অক্টোবর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন রেখেছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশিদ আলম খান এ জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর নাইকো দুর্নীতি মামলায় এফবিআইয়ের এক কর্মকর্তা ও কানাডার রয়্যাল মাউন্টেড পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে সাক্ষ্য দেওয়ার অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করেছিল দুদক।

আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করায় এ মামলায় তিন বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশের আদালতে সাক্ষ্য দেবেন।

বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদারও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক।

দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করেন।

২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

মামলায় বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে নাইকোর হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।

চলতি বছরের ১৯ মার্চ এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

গত ১২ সেপ্টেম্বর নাইকো দুর্নীতি মামলার বাদী দুদকের সাবেক সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলমের জবানবন্দি রেকর্ড শেষ হয়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ১০ বছর এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড আছে বেগম খালেদা জিয়ার। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত হওয়ার পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তিনি ‘সাময়িক মুক্তি’ পান। ছয় মাস করে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে পাঁচ দফা।

(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)