৬১৫ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড
“পূজা চলাকালে এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌদুর্ঘটনা মোকাবিলায় বাহিনীর বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”
দুর্গোৎসবে উপকূলীয় ও নদী লাগোয়া এলাকার ৬১৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডের প্রায় দেড় হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ঢাকার মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান।
তিনি বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও খুলনা, বরিশাল বিভাগ এবং ঢাকা অঞ্চলের নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছে কোস্ট গার্ড।
পূজা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান মঈনুল হাসান।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, পূজা চলাকালে এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌদুর্ঘটনা মোকাবিলায় বাহিনীর বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
জরুরি পরিস্থিতিতে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বরে যোগাযোগ করার পাশাপাশি গুজব ও অপপ্রচার থেকে দূরে থাকার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান মঈনুল হাসান।
হিন্দু আচার অনুযায়ী, মহালয়া, বোধন আর সন্ধিপূজা—এই তিন পর্ব মিলে দুর্গোৎসব।
আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিনে মহাষষ্ঠী থেকে শুরু হয়ে দশমী, অর্থাৎ বিজয়া দশমী পর্যন্ত দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা থাকে পাঁচ দিন।
তবে এবার সপ্তমী তিথি শনি ও রোববার দুই দিন বিস্তৃত হওয়ার এবারের এই আনন্দোৎসব চলবে ছয় দিন।
ষষ্ঠীর দিন শুক্রবার ষোড়শ উপচারে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আবাহন জানানো হয়। ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মাধ্যমে শুরু হলো মূল আচার।
শনিবার সপ্তমীতে নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপনের পর শুরু হবে সপ্তমীর পূজা; রোববার সপ্তমীতে বিহিত অধিক পূজা। সোমবার অষ্টমীতে হবে সন্ধিপূজা।
মঙ্গলবার বিহিত পূজার মাধ্যমে হবে নবমী পূজা। আর বুধবার দর্পণ বিসর্জনের পর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
