তাকসিম এ খানের মেয়াদ আবার বাড়ানোর উদ্যোগ
বোর্ডের সুপারিশের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খানের মেয়াদ সপ্তমবারের মত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ওয়াসা বোর্ড।
মঙ্গলবার ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন বোর্ড সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “আজ ওয়াসা বোর্ডের বৈঠক হয়েছে। সেখানে সদস্যরা তাকসিম এ খানের মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন। এই সুপারিশ এখন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে তার মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না।”
২০০৯ সালে তাকসিমকে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ দেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। পরে তার মেয়াদ বাড়ানো হয় পাঁচ দফা। ষষ্ঠ দফায় পাওয়া নিয়োগের মেয়াদ আগামী ১৪ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা।
ঢাকা ওয়াসায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খানের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে সম্প্রতি বিদায় নিতে হয়েছে সংস্থাটির বোর্ডের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাকে। তার আগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করেছিলেন, তাকসিম খান ওয়াসা বোর্ডের সঙ্গে অসহযোগিতা, ওয়াসা আইন ভঙ্গ করে ‘ব্যক্তিগত সম্পদের মতো স্বৈরাচারী কায়দায়’ ওয়াসা প্রশাসন পরিচালনা করে ঢাকা ওয়াসাকে অনিয়ম, অপচয় আর দুর্নীতির ‘আখড়ায়’ পরিণত করেছেন।
এমডি হিসেবে তাকসিমের বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০২২ সালে হাই কোর্টে একটি রিট মামলা করে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব)। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৭ অগাস্ট হাই কোর্ট আদেশ দেয়,তাকসিম এ খান গত ১৩ বছর ধরে বেতন-ভাতা বাবদ কত টাকা নিয়েছেন, সেই হিসাব ৬০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
সেই সঙ্গে তাকসিম এ খানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাকে অপসারণে বিবাদীদের ‘নিষ্ক্রীয়তা’ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাই কোর্ট।
যতদিন পর্যন্ত তাকে অপসারণ করা না হবে, ততদিন ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী তার বেতন নির্ধারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয় রুলে।
পুরনো খবর
