যুদ্ধাপরাধ: আরও দুটি মামলার তদন্ত শেষ, আসামি ২২

যশোর ও ময়মনসিংহের এ দুই মামলার একটিতে ১৫ আসামি, অন্যটিতে ৭।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 August 2022, 07:38 PM
Updated : 3 August 2022, 07:38 PM

একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে যশোর ও ময়মনসিংহের দুটি আলাদা মামলায় তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা; যেখানে এক মামলায় ১৫ জন এবং অন্য মামলায় ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকার ধানমণ্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার প্রধান সানাউল হক এই তথ্য জানান।

যশোর ও ময়মনসিংহের মামলাগুলো যথাক্রমে তদন্ত সংস্থার ৮৪তম এবং ৮৫তম মামলা। তদন্ত প্রতিবেদন দুটি এখন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগে দাখিল করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সানাউল হক বলেন, যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানা ও কোতোয়ালি থানার ১৫ আসামির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, ধর্ষণ ও হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জব্দ তালিকার দুজনসহ ৩৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

এ মামলার ১৫ আসামির মধ্যে ছয়জন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে জানান তিনি।

এই আসামিরা হলেন- মো. লুৎফর রহমান (৭১), মো. খয়বার রহমান (৭০), মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নুর ইসলাম (৬৮), মো. আবুল হোসেন বিশ্বাস (৬৮), মো, আবু বকর ওরফে আবু বক্কার মোল্ল্যা (৬৯) ও মো. হোসেন আলী মোল্যা (৭২)।

এ মামলার বাকি নয় আসামি পলাতক থাকায় ‘মামলার স্বার্থে’ তাদের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে বলে জানান তদন্ত সংস্থার প্রধান।

আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, আটক, নির্যাতনসহ একাত্তরে মানবতাবিরোধী নানা অপরাধের ছয়টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল ও কোতোয়ালি থানা এবং নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া মো. শহীদুল্লাহ ফকিরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান সানাউল।

তাদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় ৩১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

এ মামলার গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন- শহীদুল্লাহ ফকির (৭৩), মো. হাবিবুর রহমান ওরফে মেনু মিয়া (৮০) ও মো. আব্দুল হান্নান ওরফে হান্নান মুন্সি (৭০)।

এ মামলার অন্য চার আসামি পলাতক থাকায় তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

এসব আসামিদের বিরুদ্ধেও হত্যা, আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটসহ বিভিন্ন অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক