দুর্নীতির মামলা: সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
শুনানির আগে কারাগারে থাকা জ্যোতিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছে।
আসামিপক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন আগামী ২৩ নভেম্বর নতুন তারিখ দিয়েছেন।
দুদক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।
আসাদুজ্জামান খান কামাল ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- আসাদুজ্জামান খান কামালের স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনা খান, ছেলে সাফি মুদ্দাসির খান জ্যোতি ও মেয়ে শাফিয়া তাসনিম খান।
তিনি বলেন, “আসামি শাফি মোদ্দাছির খান জ্যোতির আইনজীবী ডেঙ্গু ও কিডনি রোগে আক্রান্ত। এজন্য আজ আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ কারণে আসামিপক্ষ থেকে সময় আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।”
দুদকের এই আইনজীবী আরও জানিয়েছেন, এর আগে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ বিচারাধীন ছিল। সেখান থেকে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে পাঠানো হয়। পরে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম।
শুনানির আগে কারাগারে থাকা জ্যোতিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
২০২৪ সালের ৯ অক্টোবর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর কামালসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। সংস্থাটি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, “সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে অসাধু উপায়ে অপরাধমূলক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ১৬২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেন আসাদুজ্জামান খান কামাল।
“এ ছাড়া নয়টি ব্যাংক হিসাবে ৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৩৩ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে দুর্নীতি ও ঘুষের মতো অপরাধলব্ধ অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে রূপান্তর, স্থানান্তর বা হস্তান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছে।”
