ঈদ-ই মিলাদুন্নবী, লক্ষ্মীপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমার শুভেচ্ছা পূজা উদযাপন পরিষদের
নিজ নিজ ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যে দিনটি পালনের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও জোরদার হওয়ার আশাবাদ।
দেশে এ বছরও একইদিনে উদযাপিত হতে যাওয়া মুসলিমদের ঈদ-ই মিলাদুন্নবী, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের লক্ষ্মীপূজা ও বৌদ্ধদের প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে তিন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।
শনিবার সংগঠনের সভাপতি জে এল ভৌমিক ও সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রনাথ পোদ্দার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোববারের এ বিশেষ দিনকে ঘিরে সব ধর্মানুসারী ও ভক্তদের ভেতর কাজ করছে বিশেষ আনন্দ।
“আজকের হিংসা ও বিদ্বেষপূর্ণ পৃথিবীতে এই উৎসবগুলো মানুষে মানুষে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা এবং শান্তি সমৃদ্ধি ও অহিংসার পথে মানব সম্প্রদায়কে এগিয়ে নিতে পারে।”
নিজ নিজ ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যে দিনটি পালনের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও জোরদার হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে পূজা উদযাপন পরিষদ।
গত বছরের ২০ অক্টোবর বাংলাদেশে একইদিনে উদযাপন করা হয়েছিল এই তিন ধর্মীয় উৎসব।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও মৃত্যুর দিন রোববার ১২ রবিউল আউয়াল। বাংলাদেশে দিনটি পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী হিসেবে পরিচিত। সৌদি আরবের মক্কা নগরীর বিখ্যাত কুরাইশ বংশে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তার মৃত্যু হয়।
ঐশ্বর্য, আধ্যাত্মিক ও পার্থিব উন্নতি (আধ্যাত্মিক ও পার্থিব), আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, দানশীলতা, সাহস, সৌন্দর্যের দেবী লক্ষ্মী। শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হওয়ার পরবর্তী পূর্ণিমা তিথিতে হিন্দু সম্প্রদায় লক্ষ্মীপূজা উদযাপন করে থাকে। সে হিসেবে রোববার দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে লক্ষ্মীপূজা।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। এ পূর্ণিমা তিথিতে গৌতম বুদ্ধ তাবতিংস স্বর্গে মাতৃদেবীকে অভিধর্ম দেশনার পর ভারতের সাংকাশ্য নগরে অবতরণ করেন।
