১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কসোভো, বসনিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়াগামী কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়া বহির্গমন ছাড়পত্র (ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স) ইস্যু না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজও (বায়রা) এ দিন এক চিঠিতে সদস্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এ বিষয়ে অবহিত করেছে।
অভিবাসন বিষয়ক সংগঠন অনির্বাণ সারভাইভার ফাউন্ডেশনের সভাপতি আল আমিন নয়ন বলেন, “এই নির্দেশনার ফলে ওই ১২টি দেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগপ্রক্রিয়া, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং বহির্গমন ছাড়পত্রের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনও আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরি।
“বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু ভিসা পাওয়া কিংবা কোনও রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব পাওয়া বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনের নিশ্চয়তা নয়। সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মসংস্থানের প্রকৃত সুযোগ, নিয়োগকর্তার পরিচয়, চাকরির চুক্তি, বেতন-ভাতা, ভিসার ধরন এবং বাংলাদেশের সরকারি অনুমোদন যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
বিশেষ করে কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশে অনলাইন প্রতারণা ও স্ক্যাম কম্পাউন্ডে জোরপূর্বক আটকে রেখে প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করার ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চাকরির প্রলোভনে এসব দেশে গিয়ে অনেক বাংলাদেশি প্রতারণা, শোষণ, আটকে রাখা এবং মানবপাচারের শিকার হয়েছেন। ফলে এসব গন্তব্যে কর্মসংস্থানের নামে কোনও প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।
