শ্রমবাজার যাচাইয়ে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন ৪ কর্মকর্তা
তিন দিনের সফরে যাচ্ছে প্রতিনিধিদলটি।
শ্রমবাজার অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে মালয়েশিয়ায় পাঠাচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
তাদের পাঠানোর বিষয়ে বুধবার সরকারি আদেশ (জিও) হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই সরকারি আদেশ অনুযায়ী, চার সদস্যের এ দলের নেতৃত্ব দেবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী।
প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন—বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) কোম্পানি সচিব (উপ-সচিব) মো. সাব্বির আহমেদ এবং বোয়েসেলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিনিয়র সহকারী সচিব) নাজমুন নাহার।
সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, এ প্রতিনিধি দলটি ১৫ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত (ভ্রমণ সময় ব্যতিত) অথবা তার কাছাকাছি সুবিধাজনক সময়ে মালয়েশিয়া সফর করবে।
সফরের শর্তাবলীতে বলা হয়েছে:
• সুবিধাজনক তারিখে কর্মকর্তারা তাদের যাত্রা শুরু করবেন।
• ট্রানজিটসহ পুরো ভ্রমণের সময়কাল তাদের ‘অন ডিউটি’ বা কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে।
• যুগ্ম সচিব মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ও উপ-সচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডলের যাবতীয় খরচ বহন করবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
• বোয়েসেলের প্রতিনিধি মো. সাব্বির আহমেদ ও মোস্তফা নাজমুন নাহারের যাবতীয় খরচ বোয়েসেল বহন করবে।
• তারা ভ্রমণকালীন সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা দেশীয় মুদ্রায় বাংলাদেশ থেকে উত্তোলন করবেন।
• অনুমোদিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময় বিদেশ অবস্থান করার কোনো সুযোগ থাকবে না।
• সফর শেষে দেশে ফেরার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিনিধি দলকে ভ্রমণসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কেয়া দেবনাথের সই করা এ আদেশে বলা হয়েছে, “যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ সরকারি আদেশটি জারি করা হল।”
এ বিষয়ে জানতে শহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং হেদায়াতুল ইসলাম মণ্ডলকে রাতে একাধিকবার ফোন করলেও তারা ধরেননি।
গত ২১ অগাস্ট বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস।
যদিও দেশের সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে আসছিলেন জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর সংগঠন বায়রার একাংশের নেতারা।
তাদের এ দাবির মধ্যে আরও ৩১২ এজেন্সিকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটিং এজেন্সি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে মালয়েশিয়া সরকার।
তবে এজেন্সির তালিকা প্রকাশিত হলেও ঠিক কী প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানো হবে, কবে থেকে শুরু হবে এবং এই এজেন্সিগুলোই বা কীভাবে নির্বাচিত হল, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।
