১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মানি লন্ডারিং: নোমান গ্রুপের বিষয়ে দুদককে তদন্তের আদেশ

রিট আবেদনে দুদকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Dec 2025, 05:02 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:16 PM

নোমান গ্রুপের কোম্পানি ‘নাইস স্পানের’ দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দেওয়া একটি আবেদন নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।

রোববার এ বিষয়ে একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি জেবিএম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরশেদ। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মন্ডল। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম বাঁধন।

মনজিল মোরশেদ বলেন, নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান নাইস স্পান গাজীপুরে মাওনা মৌজায় প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বন্ধক রেখে ১০৭৫ কোটি টাকা ঋণ নেয়। এ বিষয়ে এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২০২৪ সালে দুদকে একটি আবেদন দাখিল করেন লোহাগড়ার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় তিনি এই রিট দায়ের করেন। 

“শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে আবেদনকারীর দরখাস্ত ৯০ দিনের মধ্যে দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংককে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছে।”

তিনি বলেন, ঋণের বিষয়টি তদন্ত করতে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে চেয়েছে আদালত। একইসঙ্গে দুর্নীতি ও মাটিলন্ডারিংয়ের বিষয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। 

মনজিল মোরশেদ বলেন, “আইন অনুযায়ী, দুর্নীতিসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পেলে দুদক নিজে অথবা অন্য কোনো সূত্র থেকে পাওয়া অভিযোগ দুদক অনুসন্ধান করবে। কিন্তু আইন অমান্য করে দুদক নোমান গ্রুপের দুর্নীতির ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না, যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল।” 

তিনি আরও বলেন, নোমান গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হলেও কোনো অজানা কারণে তা তদন্ত করা হয় না।

রিট আবেদনে দুদকের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।