১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষকদের আন্দোলনে ‘পুলিশি হামলার’ নিন্দা

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকদের একটি মিছিল শাহবাগ এলাকায় আটকে দেয় পুলিশ। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদুনে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়।

শিক্ষকদের আন্দোলনে ‘পুলিশি হামলার’ নিন্দা
মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার পথে শাহবাগ এলাকায় পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হন এবতেদায়ী মাদরাসার বেশ কয়েকজন শিক্ষক। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Published : 26 Jan 2025, 11:41 PM

Updated : 01 Sep 2026, 11:24 AM

এক নজরে

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকদের একটি মিছিল শাহবাগ এলাকায় আটকে দেয় পুলিশ। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদুনে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়।

জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনে নামা এবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকদের ওপর ‘পুলিশি হামলার’ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। রোববার রাতে কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "১৯ জানুয়ারি থেকে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছেন। কিন্তু ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রের কোনো দায়িত্বশীল প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি, যা চরম অবহেলার বহিঃপ্রকাশ। “সর্বশেষ আজ ২৬ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শাহবাগে যেভাবে শিক্ষকদের আন্দোলনে হামলা চালিয়েছে, তা চব্বিশের অভ্যুত্থানপরিপন্থী। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।" জাতীয়করণের দাবিতে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ করেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকরা। পরে সেখান থেকে পদযাত্রা নিয়ে স্মারকলিপি জমা দিতে তারা রওনা হন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় অভিমুখে। কিন্তু শাহবাগ এলাকায় পৌঁছালে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। শিক্ষকরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদুনে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টও। রোববার সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "জনগণ তাদের সমস্যা সংকট তুলে ধরে সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং, অবস্থানসহ প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করবে, সেটিই একটি গণতান্ত্রিক দেশের চরিত্র হওয়ার কথা। “কিন্তু আমরা দেখছি রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী টিয়ারসেল, সাউন্ড গ্রেনেড, লাঠিপেটা এমনকি শ্রমিকের বুকে গুলি চালাতেও দ্বিধা করছে না, যা গণঅভ্যুত্থানের চেতনাবিরোধী।"